শ্রীপুরে রঙিন ফুলকপি চাষে ব্যাপক সফলতা। Magura news

মহসিন মোল্যা, বিশেষ প্রতিবেদক-

শ্রীপুরে প্রথমবারের মতো রঙিন জাতের ফুলকপি চাষে ব্যাপক সফল হয়েছেন সুশেন বালা ও দীপা বালা নামের দুই চাষি। উপজেলার নাকোল ইউনিয়নের হাজরাতলা গ্রামে ৪০ শতক জমিতে সোনালি, বেগুনি, লাল, ব্রো কলি, কমলাসহ সাত রঙয়ের ফুলকপি চাষ করেছেন তারা।

রঙিন ফুলকপি দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি খেতেও সুস্বাদু। পুষ্টিগুণে ভরপুর রঙিন জাতের এই ফুলকপিগুলির দাম সাধারণ জাতের ফুলকপির চেয়ে চার গুণ বেশি। এই ফুলকপিগুলো দেখতে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ভিড় করছেন সুশেন বালা ও দীপা বালার ক্ষেতে।

কৃষক সুশেন বালা জানান, উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় তিনি ২০ শতক জমিতে রঙিন ফুলকপি চাষ করেন। সাধারণ সাদা জাতের ফুলকপি বাজারে ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও তিনি এই ফুল কপি চার গুণ বেশি দামে অর্থাৎ ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন। নতুন জাত ও দাম বেশি হওয়ায় আগামী মৌসুমে তিনি আরো বেশি জমিতে এই ফুলকপি চাষ করবেন বলে জানান।

কৃষাণী দীপা বালা জানান, শ্রীপুর উপজেলা কৃষি অফিস থেকে দেওয়া বীজ ও সার নিয়ে তিনি হাজরাতলা মাঠে ২০ শতক জমিতে সোনালি ও বেগুনিসহ বিভিন্ন রঙের নতুন জাতের এই ফুলকপি চাষ করেন। সাধারণ জাতের ফুলকপির মত এর ফলনও ভালো হয়েছে।

No description available.

পাশ্ববর্তী কৃষক মৃনাল কান্তি জানান, সুশেন বালা ও দীপা বালা সাত রঙের কপি চাষ করেছেন। আমরা আশেপাশের কৃষকেরা দেখে উৎসাহিত হয়েছি। পরবর্তীতে আমরা এ কপি চাষ করবো।

উপজেলা কৃষি উপ-সহকারী অলক কুমার বিশ্বাস জানান, কৃষি অফিসের মাধ্যমে এ মাঠে ৭ রঙের কপি চাষ হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে আমরা সফল হয়েছি। আগামীতে এ কপি চাষ আরো বাড়বে বলে আশা করছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সালমা জাহান নিপা জানান, উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে সুশেন বালা ও দীপা বালাকে আমরা রঙিন ফুলকপির বীজ, জৈব সার ও ফেরোমন ফাঁদ দিয়েছিলাম। উৎপাদন ভালো হওয়ায় উপজেলার অন্যান্য কৃষকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। রঙিন ফুলকপির পুষ্টিগুণ ও বাজার মূল্য অনেক বেশি। খেতেও সুস্বাদু। আশা করছি আগামীতে উপজেলায় রঙিন জাতের ফুলকপির চাষ আরো বাড়বে।

January ২০২৩
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Dec    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

ফেসবুকে আমরা

বিভাগ

দিনপঞ্জিকা

January ২০২৩
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Dec    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
%d bloggers like this: