মাগুরানিউজ.কমঃ
বাজারে হাজির মাগুরার স্থানীয় হাজরাপুরী জাতের লিচু। মৌসুমের অন্যান্য জাতের তুলনায় আগে পাকার কারণে ব্যাপারীদের কাছে মাগুরার এই জাতের লিচুর কদর অনেক। আগে আগে বাজারজাতকরণ সুবিধার জন্য তারা এই জাতের লিচুর বিক্রি থেকে অধিক মুনাফা পেয়ে থাকেন। এ বছর মাগুরায় উৎপাদিত লিচু থেকে স্থানীয় চাষীরা প্রায় ২০ কোটি টাকার বাণিজ্য করার সুযোগ পাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মাগুরায় সদর উপজেলার ইছাখাদা, হাজরাপুর, নড়িহাটি, রাঘবদাইড়, নন্দলালপুর, খালিমপুর, শিবরামপুরসহ জেলার অন্তত ৩০টি গ্রামে লিচুর চাষ হয়ে থাকে। এসব গ্রামে রয়েছে ছোটবড় বিভিন্ন আয়তনের অন্তত ২ হাজার লিচু বাগান। যেখানে স্থানীয় হাজরাপুরী লিচু ছাড়াও মোজাফ্ফরী, চাইনা থ্রি ও বোম্বাই জাতের লিচুর আবাদ হয়ে থাকে। তবে বাগানের অন্তত ৬০ শতাংশে রয়েছে স্থানীয় হাজরাপুরী জাতের লিচু।
ইছাখাদা গ্রামের লিচু চাষিরা জানান, মাগুরার হাজরাপুরী জাতের লিচু মৌসুমের অন্যান্য জাতের চেয়ে অন্তত ১৫ দিন আগে পাকে। যে কারণে সারাদেশের ব্যাপারীদের কাছে এই লিচু অধিক জনপ্রিয়। বাজারে আগে তোলা যায় বলেই তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি করে বেশি মুনাফা পাওয়া যায় এই জাতের লিচু বিক্রি করে। হাজরাপুরী জাতের লিচু অন্যান্য লিচুর থেকে আকারে কিছুটা ছোট হলেও খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু। যে কারণে এই লিচুর কদর সবার কাছেই।
মাগুরার লিচুর গ্রামগুলিতে এখন চলছে ভরা মৌসুম। প্রতিটি বাগানেই এখন লিচু ব্যাপারীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শতাধিক লিচু ব্যবসায়ী এখান থেকে লিচু সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন বড় বড় বাজারে।


