মাগুরানিউজ.কমঃ
বিশেষ প্রতিবেদক –
মধুমতী নদীর পানি হটাৎই ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে নদী ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় ইতিমধ্যেই মহম্মদপুর উপজেলার ৭টি গ্রামের বিশাল এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বিলীন হয়ে গেছে ২১টি পরিবারের অর্ধ শতাধিক ঘর-বাড়িসহ, গাছপালা, মসজিদ, গোরস্থানসহ আবাদী জমি। হুমকিতে রয়েছে শতাধিক পরিবারসহ কাশিপুর গোরস্থান, কাশিপুর ও ভোলানাথপুরের পুজা মন্দির, অসংখ্য দোকান-পাটসহ হাজার হাজার একর ফসলি জমি।
অন্যদিকে গোপালনগর থেকে পাল্লা পর্যন্ত প্রায় ৫ কি.মি. ও ঝামা এলাকায় নদীর মাঝ বরাবর জেঁগে উঠেছে বিশাল চর। চরের কারণে স্রোতপ্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয়ে প্রবল বেগে নদী তীরে ঢেউ আঁচড়ে পড়ায় নদীর ভাঙন বৃদ্ধি পাচ্ছে ও নদী তীরবর্তী গ্রামগুলো ক্রমেই ভাঙনের থাবায় নিশ্চিহ্ন হচ্ছে।
ভাঙনের তীব্রতা এতই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যে, অনেকে ঘরবাড়ি সরিয়ে নেওয়ার সময়ও পান নি অনেকে। অনেকে সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে বসবাস করছেন খোলা আকাশের নিচে, আবার কেউ অন্যের জমিতে।
দীর্ঘ চার দশকেরও বেশী সময় ধরে মধুমতি নদীর অব্যাহত ভাঙনে বদলে যাচ্ছে মহম্মদপুর উপজেলার মানচিত্র। মানচিত্র থেকে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে কাশীপুর, রায়পুর, রুইজানি, হরেকৃষ্ণপুর, দেউলি, ঝামা ও ভোলানাথপুর গ্রাম।
শুক্রবার দুপুরে সরজমিনে দেখা গেছে, ভাঙ্গনের সাথে পাল্লা দিয়ে লোকজন তাদের ঘর-বাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে। কেউ ভাঙনের মুখে জীবনের ঝুকি নিয়ে বসবাস করছে। ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন নদী তীরবর্তী বসবাসকারী অসংখ্য মানুষ।
এ ব্যাপারে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ সাদিকুর রহমান জানান, ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

