মাগুরানিউজ.কমঃ

মাগুরা মহম্মদপুরে বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে বাবুল (২০) নামের এক যুবককে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত যুবককে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহত যুবক বাওইজানি গ্রামের আঃ ওহাব খানের ছেলে।
শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।
এ ব্যাপারে আহত যুবক বাবুল জানান, পাশ্ববর্তি গ্রামের সৈয়দ রউফ মিয়ার ছেলে আশরাফুল (২২) নামে এক যুবকের সঙ্গে তার বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক ছিল। কিছুদিন পূর্বে ওই ছেলেটি তার ছোট বোনকে মোবাইলে বিরক্ত করতো। নিষেধ করলে সেখান থেকেই তাদের বন্ধুত্বের সম্পর্কে ফাটল ধরে। কয়েকমাস ধরে তাদের ভেতরে কোন প্রকার সম্পর্ক ছিলনা এবং বাবুল ঢাকায় চাকুরিতে চলে যায়।
শুক্রবার বাবুল ঢাকা থেকে ছুটিতে বাড়িতে আসলে ওই ছেলেটি তার সঙ্গে মহম্মদপুর বাজারে দেখা করে পুনরায় বন্ধুত্বপূর্ন আচারন করে এবং তারসঙ্গে বাবুলকে তার শশুরবাড়ি কানুটিয়া যেতে বলে। প্রথমে রাজি না হলে ও পরে একপর্যায়ে বাবুল রাজি হয়। দুজনেই কানুটিয়া বাজারে পৌছানের আগেই ওই ছেলেটি বাবুলকে বলে রাস্তা দিয়ে গেলে শশুরবাড়ি অনেক দুর হবে তাই মাঠের ভেতর দিয়ে যাওয়ার কথা বলে হাঠতে শুরু করে।
মাঠের ভেতরে পৌছালে হঠাৎ করে পেছন থেকে ওই যুবক বাবুলকে লাথি মেরে ফেলে মাটিতে ফেলে দেয় এবং তারবুকের উপর চড়ে বসে তাকে গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। ওই সময় হঠাৎ করে আশরাফুলের ফোন বেজে উঠলে আশরাফুল কিছুটা অন্যমনষ্ক হয় এবং এ সুযোগে বাবুল ঝাড়ি মেরে উলঙ্গ অবস্থায় দৌড়ে পালিয়ে একটি বাড়িতে উঠে পড়ে। পরে বাড়ির লোকজন ও স্থানীয় বিনোদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম আজম সাবু লোকজন নিয়ে তাকে উদ্ধার করে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ঘটনার সময় বাবুলের কাছে থাকা ১টি মোবাইল ও ৫ হাজার টাকা কেড়ে নেয়া হয় বলে আরো জানায় বাবুল।
এ ব্যাপারে আশরাফুলের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে সে পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।
মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ কাজী আবু আহসান জানান, ছেলেটির গোপনাঙ্গসহ শরীরের একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে তবে এখন সে আশঙ্কামুক্ত।
মহম্মদপুর থানার ওসি রিয়াজুল ইসলাম জানান, বিষয়টি শুনেছি তবে কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Like this:
Like Loading...