মাগুরানিউজ.কমঃ
রাত পোহালেই সরস্বতী পুজো৷যদিও এবার তিথি অনুযায়ী শনিবার এবং রবিবারও হতে পারে পুজো। সেই পুজো যবেই হোক না কেন? আজ শুক্রবার থেকেই মাগুরাতে শুরু উৎসবের মেজাজ। একদিকে যেমন চলছে প্রতিমা কেনাকেটা, অপর দিকে চলছে ফুল-ফল থেকে পুজোর সরঞ্জাম কেনাকেটা। কেনাকাটা চললেও উৎসবের মরশুমে দাম বেড়েছে বাজারে৷ ফল-ফুল সব কিছুরই দাম বেড়েছে বেশ খানিকটা৷ফলে, মাথায় হাত আম বাঙালীর।
সরস্বতী পুজোর মূল উপচার নারকেল কুল বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৬০ টাকা কিলো দরে৷ অন্য দিকে একটি মাঝারি মাপের নারকেল পাওয়া যাচ্ছে ২৫ থেকে প্রায় ৩০ টাকায়৷ শাঁকালু ২০ টাকা কেজি৷ আপেল ৮০ থেকে ১০০ টাকা৷ ৩০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন মাপের শসা৷লেবু যা ২ দিন আগেও ১৫-২০ টাকাতে পাওয়া যাচ্ছিল ১ পিস, আজ তা ৪০-৫০ টাকায় দাঁড়িয়েছে৷
অন্যদিকে, ৬ ইঞ্চি ওই ঠাকুরের তেমন সৌন্দর্য নেই৷ সে কথাও অবশ্য সত্যি৷ ৬ ইঞ্চির ওপরে উঠলেই ঠাকুরের দাম ক্রমশ বাড়ছে৷ দোকানিরা জানিয়ে দিচ্ছেন,গতবারের তুলনায় প্রতিমার দাম বেড়েছে ব্যাপক ভাবে। এই বছর প্রায় ১০০ টাকা থেকেই শুরু হচ্ছে প্রতিমার দাম। ওপরের দিকে এই দামটা ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
স্কুল-কলেজ, ক্লাবের জন্য কুমোরপাড়ার কাঠামোতে তৈরি প্রতিমার কথা অবশ্য আলাদা৷ জানা যাচ্ছে, গত বছরের তুলনায় গড়ে ১০ শতাংশ দাম বেড়েছে প্রতিমার৷ কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি, শ্রমিকের জোগান অপ্রতুল৷ এই সব কারণেই দাম বাড়ছে প্রতিমার৷ সেই সঙ্গে ফুলের বাজারেও আগুন৷ একে তো চলছে বিয়ের মরশুম৷ রজনীগন্ধার চাহিদা তীব্র৷১ ফুটের মতো ছোট রজনীগন্ধার মালা ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হলেও আজ শুক্রবার রাতে তা আরও বাড়বে বলেই জানাচ্ছে বিক্রেতারা৷ বড় মালা ৫০-৬০-৭০ পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে৷
এদিকে হাইব্রিড রজনীগন্ধায় সামান্য গন্ধও নেই৷ সেই সুন্দর দেখতে মালা বিকোচ্ছে দেদার৷ ছোট গাঁদাফুলের চেন দু’দিন আগে ছিল ৬ থেকে ৭ টাকা৷ সেটাই ১২ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে৷ পলাশও অমূল্য৷ তেমনভাবে পলাশ ফোটেওনি৷ পাওয়া যাচ্ছে না ছোট কলাগাছও৷ এক দিকে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা, অন্য দিকে এ বছর সরস্বতী পুজো কিছুটা আগে৷ এখনও কাটেনি শীতের আমেজ৷ তাই এ বছর আম্রমুকুলেরও দেখা নেই৷ বাজারেও তাই৷ তার চাহিদা আকাশছোঁয়া৷


