মাগুরাতে এক মণ ধানে ২ কেজি গোশত : দুই মণ ধানে ১ কেজি ইলিশ

মাগুরানিউজ.কমঃ

11034211_16192003416452utyi48_4267031593851699161_n

তিন মাসের ব্যবধানে দক্ষিনাঞ্চলে মোটা ধানের বাজার দর আর এক দফা কমেছে। ৭৫০-৭৭৫ টাকার মোটা ধান এখন ৬০০-৬১০ টাকা মণ। মাগুরা ও সংলগ্ন হাটবাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্বর্ণা-৫, গুটি স্বর্ণা, ইরি-চায়না, পারিজা ধানের ক্রেতা নেই। হাটবাজারে অনেক চেষ্টা করে কৃষক ৬০০-৬২০ টাকা দরে ধান বিক্রি করছেন। দুই মাস আগেও এসব মোটা ধান ৭০০ টাকা মণ বিক্রি করা গেছে। এখন ৬১০ টাক মণ। এ জাতের মোটা চাল এখন ৯০০-৯৫০ টাকা মণ।

কৃষকেরা জানিয়েছেন এখন ভারত থেকে প্রচুর চাল আসছে। এ জন্য চালকল মালিকদের চাল বিক্রি হচ্ছে না। তারা ধান কেনা অনেকটা বন্ধ করে দিয়েছেন। এ জন্য ধানের বাজার পড়ে গেছে।

মাগুরা অঞ্চলের চালকল মালিকরা জানান, ভারত থেকে গত তিন মাসে লাখ লাখ টন শুল্কমুক্ত চাল আমদানি হয়েছে। দেশী চালের চেয়ে ভারতীয় চালের দাম কেজিতে কমপক্ষে এক টাক কম। এ জন্য দক্ষিনাঞ্চলে শত শত চালকল বন্ধ। চালকল মালিকদের গুদামে মজুদ আছে লাখ লাখ মণ চাল। তারা ব্যাংকের দেনা শোধ করতে পারছেন না। এ জন্য ধান কিনতে পারছেন না। ধানের দাম কমে গেছে।

বোরো মওসুমে লোকসান কাটাতে ধান চাল ব্যবসায়ীরা আরো কম দামে ধান কিনবে। তাদের গুদামে মজুদ বেশি দামের ধানের সাথে সমন্বয় করে ব্যবসায়িক লাভ করতে হবে। ১০০০ টাকা মণ দরের ধানের সাথে ৬০০ টাকা মণ ধরের ধান কিনে গড় করলেও ধানের দর পড়বে ৮০০ টাকা। এ জন্য বোরো মওসুমে ধানের দর আরো কমতে পারে এমন আশঙ্কা করছেন কৃষক।

ধানের বাজার কমলেও মাছ গোশতের বাজার চড়া। ইলিশের বাজারে বৈশাখী আগুন। এক কেজি ইলিশ ১০০০-১২০০ টাকা। এককেজি গরুর গোশত ৩৫০-৪০০ টাকা। ৬০০ টাকা মণ দরে দুই মণ ধান বিক্রি করে কৃষক কিনছেন এক কেজি ছোট ইলিশ। আর এক মণ ধান বিক্রি করে দুই কেজি গরুর গোশত কিনতে পারছেন না।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  

ফেসবুকে আমরা

বিভাগ

দিনপঞ্জিকা

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
%d bloggers like this: