মহম্মদপুরে দুই শিক্ষালয় ঘেঁষে ইটভাটা, পোড়ানো হচ্ছে কাঠ

মাগুরানিউজ.কমঃ 

file (4)
মাগুরার মহম্মদপুরের তল্লাবাড়ীয়ায় দুইটি শিক্ষালয় ঘেঁষে নির্মিত ইটভাটায় অবাধে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ। জনগুরুত্বপূর্ণ মহম্মদপুর-মাগুরা সড়কে ইটভাটাটি অবস্থিত এবং ওই সড়ক দিয়েই জেলা প্রশাসন মহম্মদপুরে এবং উপজেলা প্রশাসন মাগুরায় যাতায়াত করেন। যাতায়াতের রাস্তা থেকেই চোখে পড়ে পরিবেশ বিপর্যয়ের চিত্র। ইটভাটাটি পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়ালেও অজ্ঞাত কারণে সেটি বন্ধে প্রশাসন নির্বিকার।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মহম্মদপুর-মাগুরা সড়কের তল্লাবাড়ীয়া এলাকায় বাটা ব্রিকসের উত্তরপাশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পশ্চিমে এসএন টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। দুইটি শিক্ষালয়ের গা ঘেঁষে নির্মিত ইটভাটায় নিত্য পোড়ানো হচ্ছে কাঠ। দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ফসলি জমি এলাকায় ইটভাটা স্থাপন এবং কাঠ পোড়ানোর ফলে পরিবেশ নষ্ট হলেও টনক নড়ছে না প্রশাসনের।
দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘেঁষে ইটভাটা স্থাপন, কাঠ ও ইট বোঝাই ট্রাক যাতায়াতের কারণে ধোয়া, ধুলা এবং বালি ছড়িয়ে পড়ছে আশেপাশে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ভাটার ধোয়াও ক্ষতির কারণ হচ্ছে। এছাড়া প্রথমিক বিদ্যালয় ও টেকনিক্যাল কলেজের প্রাচীর না থাকায় দুইটি শিক্ষালয়ের জমির মধ্যে বিচ্ছিন্নভাবে ইট ও সুরকি রাখাও হচ্ছে। ফলে শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পাঠদান এবং গ্রহণেও বিরুপ প্রভাব পড়ছে।
তল্লাবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কবিরুজ্জামান এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তল্লাবাড়ীয়া এসএন টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ শ্যামল কুমার বিশ্বাসও বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বাটা ব্রিকসের মালিক ও আওয়ামী লীগ নেতা শিকদার মিজানুর রহমান বলেন, এই মৌসুমটা শেষ হলে ভাটা বন্ধ করে দেবো।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান বলেন, চলতি মৌসুম শেষে ভাটাটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়ার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  

ফেসবুকে আমরা

বিভাগ

দিনপঞ্জিকা

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
%d bloggers like this: