আন্তর্জাতিকডেস্কঃ
জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতির আহ্বানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইহুদি জঙ্গিবাদী ইসরাইল। বিমান হামলার পাশাপাশি রোববার ভোর থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় স্থলপথেও অভিযান শুরু করেছে নেতানিয়াহুর সরকার। গাজা সীমান্তে অন্তত ৩৩ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে তেলআবিব। ইসরাইলী আগ্রাসনে গাজায় এ পর্যন্ত ১৬৫ জনের বেশি নিহত হয়েছেন।
জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতি আহ্বানের পরও ইসরাইলের সর্বশেষ হামলায় রোববার আরো ৮ জন এবং শনিবার অন্তত ৫২ জন নিহত হয়েছে। এ নিয়ে হামলা পর প্রায় ১৬৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের প্রায় সবাই বেসামরিক নারী-শিশুসহ সাধারণ মানুষ। গত মঙ্গলবার থেকে গাজার বিরুদ্ধে বিমান হামলা শুরু করে ইসরাইল। শুধু তাই নয়, গাজায় স্থলপথেও অভিযানে নেমেছে ইসরাইল। রোববার ভোর থেকে ইসরাইলি কমান্ডদের প্রথম বহর গাজায় পৌঁছেছে।
এদিকে ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস রকেট ছুঁড়ে ইসরাইলি বর্বরতার জবাব দেয়া অব্যাহত রেখেছে।
স্থলপথে সেনা ও আকাশ পথে ইসরাইলী বিমানগুলো গাজা শহরের কয়েকটি স্থানে আঘাত হেনেছে। এ ছাড়া, রাফা, বেইত লাহিয়া এবং জাবালিয়া শহরেও জঙ্গিবাদী ইসরাইলের হামলা হয়েছে। গাজার কেন্দ্রস্থলে বুরেজি শরণার্থী এবং শেখ রাদওয়ান অঞ্চলেও হামলা হয়েছে। বিমান হামলার পর গাজার নগরীর শিল্প এলাকায় ভয়াবহ আগুন ধরে যায়।
এদিকে, ফিলিস্তিনিরা পবিত্র রমজান মাসে অব্যাহত ইহুদিবাদী এ সব হামলার জবাব দিয়েছে রকেট ছুঁড়ে। তেল আবিব এবং পূর্ব আল-কুদস(জেরুজালেম) এ হামলার হাত থেকে রেহাই পায় নি। তেল আবিব ও পূর্ব আল-কুদসে অন্তত ১০ দফা রকেট হামলা করেছে হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল- কাসসাম ব্রিগেড। জে-৮০ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামলা করা হবে বলে হামাসের ঘোষণার পরই গান ইয়াভনে শহরে দু’টি রকেট হামলা করেছে।

