আমাদের এখন কি হবে?

মাগুরানিউজ.কম: 

mnওদের প্রশ্ন একটাই ,আমাদের এখন কি হবে? আমরা কি পরীক্ষা দিতে পারবো? আর এ প্রশ্নকর্তারা হলেন মাগুরার আলোকাদিয়া অমরেশ বসু ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়ের নিবন্ধন বঞ্চিত প্রায় দুইশত শিক্ষার্থী।

আগামী বছরের এইচএসসি ও ডিগ্রি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না মাগুরার আলোকাদিয়া অমরেশ বসু ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়ের প্রায় দুইশত শিক্ষার্থী। শনিবার ওই শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মানবন্ধন করে ক্লাস রুমে তারা লাগিয়ে দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।

অনিক, মেহেদী, ওয়াহিদ ও রিপনসহ একাধিক ছাত্র জানায়, ১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে এইসএসসিতে মানবিক বিভাগে এ কলেজে ১৫০ জন শিক্ষার্থীর ভর্তির কোটা রয়েছে। অতিরিক্ত ভর্তির জন্য বোর্ড থেকে পূর্বানুমতির নিয়ম রয়েছে। কিন্তু কলেজ অধ্যক্ষ বোর্ডের অনুমতি না নিয়েই অতিরিক্ত ৯৩ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তি করেন। ফলে সম্প্রতি শুধুমাত্র অনুমতি থাকা ১৫০ জন শিক্ষার্থীর নিবন্ধন পত্র এসেছে। যে কারণে ওই ৯৩ শিক্ষার্থীর আগামী ১১ নভেম্বর কলেজে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসির টেস্ট পরীক্ষাসহ আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য বোর্ডের ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

একইভাবে অনলাইনে নিবন্ধন না করায় ১২-১৩ শিক্ষা বর্ষের ডিগ্রির ৮৪ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন বঞ্চিত হয়েছে। যে কারণে পরবর্তী সময়ে ৮৪ ডিগ্রি পরীক্ষার্থী ফাইনালের ফরম ফিলাপ করতে পরেনি। ফলে চলতি বছরের অনুষ্ঠিত ডিগ্রি পরীক্ষায় তারা অংশ নিতে পারছে না। তাদের শিক্ষা জীবন থেকে দুই বছর পিছিয়ে পড়ায় ওই ৮৪ শিক্ষার্থীর ভবিষৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অধ্যক্ষ মোস্তফা ফারুক আহমেদ ও প্রধান সহকারী অনিমেষ বিশ্বাস পরস্পরের যোগসাজসে নানা অনিয়ম দুনীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের পথে।

বিশেষ করে দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষের অদক্ষতা ও গাফিলতির কারণে এইচএসসি ও ডিগ্রির দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

যে কারণে বাধ্য হয়ে নিবন্ধন ও ফরম ফিলাপ বঞ্চিত এ সব শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছে।

বুধবার থেকে শুরু হওয়া এ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ শনিবারও আন্দোলনে নামে তারা।

সজিব, অনিক. ওয়াহিদসহ একাধিক শিক্ষার্থীরা জানায়, অবিলম্বে নিবন্ধন বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের সময়মত পরীক্ষার ব্যবস্থা ও অধ্যক্ষের অনিয়ম দুর্নীতির বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাদের যৌক্তিক আন্দোলন অব্যহত থাকবে।

 

এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান মুন্সী বলেন, দাবি-দাওয়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের শান্ত করে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

May ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Apr    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

ফেসবুকে আমরা

বিভাগ

দিনপঞ্জিকা

May ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Apr    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
%d bloggers like this: