মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা অবৈধ অস্ত্র কেনা-বেচার নিরাপদ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে জানা গেছে।। সংঘবদ্ধ দুস্কৃতকারিরা মহম্মদপুর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় গোপনে অস্ত্র কেনাবেচা করছে। অস্ত্র ব্যবসায়ী চক্রটি যশোরের বিভিন্ন এলাকা থেকে অস্ত্র আমদানি করে মহম্মদপুরের লোকালয়ে মোটা অর্থের বিনিময়ে হাতবদল করছে। র্যাব-৬ যশোরের সদস্যদের অভিযানে শনিবার দুপুরে উপজেলার জোকা মোড় থেকে অস্ত্রসহ তিন ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার হওয়ার হওয়ার পর বেরিয়ে আসে অস্ত্র কেনা-বেচার চাঞ্চল্যকর তথ্য। মহম্মদপুরের মতো নিভৃত জনপদে অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয় ও হাতবদল হওয়ার বিষয়টি উপজেলাজুড়ে শঙ্কার জন্ম দিয়েছে।
শনিবার দুপুরে র্যাব-৬ সদস্যরা উপজেলার জোকা মোড় এলাকা থেকে একটি পিস্তলসহ বালিদিয়া গ্রামের আবদুর রশীদের ছেলে লিটন, কলমধারী গ্রামের মৃত: মোক্তাদির বিশ্বাসের ছেলে ওয়াহিদুজ্জামান ওহিদ ও চরসেলামতপুর গ্রামের মৃত: কাশেম মোল্যার ছেলে মীর আক্কাচকে গ্রেপ্তার করে।
জানা যায় বেশকিছুদনি ধরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল ক্রেতা সেঁজে ছদ্মবেশে অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে জড়িতদের অনুসন্ধানে মাঠে নামেন। এক পর্যায়ে তারা অস্ত্র ব্যবসায়ী চক্রটির সন্ধান পান। পরে তাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপণ করে অস্ত্র ক্রয়ের প্রস্তাব দেন। ঘটনার দিন দুপুরে সংঘবদ্ধ দুস্কৃতকারি চক্রের ৫ সদস্য অস্ত্র বিক্রির উদ্দেশ্যে ছদ্মবেশি র্যাব সদস্যদের কাছে আসলে চক্রের তিন সদস্যকে ধরতে সক্ষম হলেও দুইজন পালিয়ে যায় বলে জানাগেছে। সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বহূবিধ অভিযোগ রয়েছে।
পরে তাদেরকে র্যাব-৬ যশোরে নিয়ে যাওয়া হয়। গভীর রাতে তাদেরকে মহম্মদপুর থানায় সোপর্দ করে র্যাব। এ বিষয়ে র্যাব-৬ যশোরের ডিএডি আলমগীর হোসেন বাদি হয়ে অস্ত্র আইনে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আজ রোববার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত অস্ত্র ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী তিনজনকে মাগুরা আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মহম্মদপুর থানার ওসি ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মতিয়ার রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অন্যদেরও ধরা হবে বলে তিনি জানান।


