মাগুরা জেলাতে পাটকাঠির কদর কমেনি বরং বেড়েছে। আর এ কারণেই গ্রামের মানুষেরা আগের মতোই পাটকাঠি সংগ্রহ করে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পাটকাঠি জ্বালানি এবং বেড়া বানানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। রান্নায় পাটকাঠির ব্যবহার বহু আগে থেকেই চল রয়েছে। আর বর্তমানে পাটকাঠি থেকে অ্যাকটিভেটেড চারকোল তৈরী হচ্ছে যা নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে । এতে কৃষকরা পাট উৎপাদনে আরো বেশি আগ্রহী হচ্ছে।
একসময় পাটকাঠি কাগজ বানানোর কাজের জন্যে ক্রয় করা হলেও এখন আর সেই চাহিদা নেই।এখন পাটকাঠি থেকে অ্যাকটিভেটেড চারকোল তৈরী হচ্ছে যা রপ্তানি হচ্ছে বিদেশে । এ ছাড়া পটল, ঝিঙা প্রভৃতি ফসলের ক্ষেতেও পাটকাঠির ব্যবহার কিছুটা দেখা যায়।
মাগুরাতে পাটকাঠিকে আঞ্চলিক ভাষায় ‘পাটখড়ি’ বলা হয় আবার কোথাও ‘পাটশোলা’। এ বছরও মাগুরার বিভিন্ন জায়গাতে পাটের ব্যাপক চাষ হওয়ার কারণে পাটকাঠির মজুদও বেড়েছে। কৃষক পরিবারগুলো তাই বিভিন্নভাবে পাটকাঠি সংরক্ষণ শুরু করেছে। পাটকাটি পরিত্যক্ত ঘর, ঘরের বাইরে এবং অনেক সময় বিশেষ কায়দায় বাড়ির গাছগাছালিতে ঝুলিয়েও সংরক্ষণ করা হয়।


