মাগুরানিউজ.কমঃ
ঘাটকোল ছাড়া আষাঢ়-শ্রাবণ পার হয় না মাগুরার মানুষের। কি না ব্যঞ্জন হয় ঘাটকোল দিয়ে? ভর্তা, ভুনা তো হয়ই, দুধ-ঘাটকোলও হয়। গরম ভাতে ঘাটকোল ভাজি হলে মাছ-মাংসও লাগে না। মাগুরার প্রায় প্রতিটি বাজারেই ঘাটকোল ওঠে। আত্মীয়বাড়ি যাওয়ার সময়ও কিনে নেন অনেকে। মাগুরা থেকে ঘাটকোল চালান যায় ঢাকায়। বর্ষায় অনেক মানুষেরই আয়-রোজগারের উৎস হয় এই ঘাটকোল।
বৃহত্তর যশোরের যশোর, নড়াইল, মাগুরা, ঝিনাইদহ জেলায় ঘাটকোলের চাহিদা বেশি। বর্তমানে কিছু কিছু এলাকায় ঘাটকোলের বাণিজ্যিক চাষ হচ্ছে। প্রতি আঁটি ঘাটকোল ৫ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হয়।
মাগুরা পুরাতন বাজারের ঘাটকোল বিক্রেতা রিজিয়া খাতুনের সঙ্গে কথা হয়। তাঁর বয়স ৬০। সদর উপজেলার মানুষ। বললেন, প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০ আঁটি ঘাটকোল বিক্রি করি। ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা আয় হয়।
মধুপুর গ্রামের শরিফ খান (৪৫) বলেন, ‘আমরা প্রায়ই ঘাটকোল ভাজি করে খাই। ভাত দিয়েও খাওয়া যায়, রুটি দিয়েও খারাপ লাগে না। ঘাটকোলের তরকারি হলে মাছ-মাংস লাগে না। শ্রীরামপুর গ্রামের মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘ঘাটকোল খুবই উপকারী। এর ডাঁটা সিদ্ধ করে আমাদের বাড়িতে কাঁঠালের বিচি দিয়ে ভুনা করা হয়। আমরা এই ব্যঞ্জন দিয়েই এক থালা ভাত খেয়ে ফেলি। ঘাটকোল গায়ের ব্যথা কমায়। হজমেও সাহায্য করে। এর অনেক গুণ রয়েছে। ’


