মাগুরানিউজ.কমঃ
সম্প্রতি এক দুপুরে মাগুরার শালিখা উপজেলার কুশখালী বিলে বেশ কয়েকজনকে দেখাগেল কিছু অনুসন্ধানে ব্যস্ত। জিজ্ঞাসা করতেই জানালো সোনা খুঁজছেন। পাগল নাকি? প্রশ্নের জবাবে তারা জানালো আসলে মাগুরায় প্রথমবারের মতো পানিফল চাষ হয়েছে এই বিলে। কুশখালী বিলাঞ্চলের ২৫ বিঘা জমিতে এর চাষ করা হয়েছে। এটি এখন স্থানীয়দের কাছে জলের সোনা বলেই পরিচিত।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কুশখালী বিলাঞ্চলের জলাশয়গুলো অতীতে পতিত ছিল। জামিরুল ইসলাম নামে এক কৃষক ওই পতিত জলাশয় ইজারা নেন। প্রথম পানি ফলের চাষ করেন। কচুরিপানার মতো ছোট জলজ গাছে লাল খয়েরির সঙ্গে হালকা সবুজ রঙ মিলিয়ে পানিফলও ধরেছে। অনেকে ব্যস্ত রয়েছেন পানিফল তোলার কাজে, যা স্থানীয় বাজারসহ সরবরাহ হচ্ছে দেশের বিভিন্ন বাজারে।
পানিফল চাষী জামিরুল ইসলাম জানান, তিনি সাতক্ষীরায় এ ফল চাষ প্রত্যক্ষ করেন ও অভিজ্ঞতা নিয়ে আসেন। পরে কুশখালীর পতিত জলাশয় ইজারা নিয়ে প্রথম চাষ শুরু করেন। প্রতি বিঘায় খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। ১ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন। শতাধিক লোকের কর্মসংস্থানও হয়েছে। তার উৎপাদিত ফল স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ হচ্ছে।
জামিরুল আরো জানান, পানিফল খুব সুস্বাদু। তালের শাঁসের মতো এর স্বাদ। এ ফলে জলের পরিমাণ বেশি থাকায় পিপাসা নিবারণ হয়। দেশের বিভিন্ন বাজারে এ ফলের চাহিদা রয়েছে। তিনি কুশখালী থেকে প্রতি মণ ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রয় করেন।


