মাগুরানিউজ.কমঃ
‘পাট থেকে আঁশ ছাড়িয়ে কোনো টাকা পাই না। শুধু পাটকাঠির জন্য এই কাজ করি। পাটকাঠি বাড়িতে নিয়ে যায়। কিছু বিক্রি করে খাতা পেন কিনি আর মিষ্টি কিনে খাই।’
কথাগুলো বলছিল মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কাজলি গ্রামের করিম, সোহাগ ও জামাল।
তারা জানায়, পড়াশোনার পাশাপাশি এসময় তারা সুযোগ পেলে পাট থেকে আঁশ ছাড়ানোর কাজ করে। জানায়, পাট পঁচা পানি খুবই বিষাক্ত। গায়ে চুলকানি হয়। কিন্তু তবুও তারা একাজ করে।
পাট থেকে আঁশ ছাড়িয়ে যে পাটকাঠি পাওয়া যায় তা দিয়ে বাড়ির জ্বালানি ব্যবহারের পাশাপাশি বিক্রি করে নিজের পড়াশোনা ও হাত খরচও চলে।
জামির হোসেন নামের আরেক শিশু জানায়, পাট থেকে আঁশ বের করা ছাড়াও মাঠ থেকে ধান খোটা, গাছ থেকে নারিকেল পাড়াসহ বিভিন্ন কাজ করে সে।


