মাগুরানিউজ.কমঃ
পরাজিতদের নাকি কেউ মনে রাখে না। দ্বিতীয় হওয়াদের নাকি ইতিহাসে ঠাঁই হয় না। তবে, সেই কথাটা উসাইন বোল্টের ক্ষেত্রে খাটে না। ১০০ মিটার দৌড়ে তৃতীয় হওয়ার পরও যে কাউকে নিয়ে এতটা হৈচৈ হতে পারে সেটা উসাইন বোল্টকে না দেখলে বোঝার কোনো উপায়ই নেই।
তবে, বোল্টকে নিয়ে এতটা উদ্দীপনা এত উৎসাহের কারণ, বেজেছে তার বিদায়ের বাঁশি। লন্ডন স্টেডিয়ামে ১০০ মিটার দৌড়ে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়েই যে বর্ণাঢ্য এক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন বোল্ট। আর কখনোই তাকে একক কোনো দৌড়ে অংশ নিতে দেখা যাবে না। আর কখনো দুই হাত উঁচিয়ে সেই ট্রেডমার্ক সেলিব্রেশনে হাজির হবেন না এই কিংবদন্তি।
প্রথম হয়েছেন জাস্টিন গ্যাটালিন। সোনা যে তার হাতে আসছে সেটা দৌড়টা শেষ করেই বুঝতে পেরেছিলেন। বোল্টকে হারিয়ে ফেলেছেন বলে একটু অপরাধীও হয়তো বোধ করছিলেন। মুখ চেপে চোখের জল আটকানোর চেষ্টা করলেন। পারলেন না।
এগিয়ে গিয়ে তৃতীয় হওয়া বোল্টের সামনে এসে দাঁড়ালেন। পুরো লন্ডন স্টেডিয়ামের সবাইকে অবাক করে দিয়ে হাঁটু গেড়ে বসে অভিবাদন জানালেন। যেন, বলে দিতে চাইলেন, ‘এই দৌড়টা আমি জিতেছি। তারপরও আপনিই সর্বকালের সেরা, আপনিই কিংবদন্তি!’


