মাগুরানিউজ.কমঃ
শহর প্রতিবেদকঃ
মাগুরার পশুর হাটগুলো শেষ মুহূর্তে ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছিল। গত কয়েক দিন তেমন বিক্রি না হলেও গতকাল আর আজ বেচাকেনার ধুম পড়ে যায়। শহরবাসীর অনেকেই সকাল থেকে গরুর হাট ঘুরে গরু কিনে বাসায় ফিরেছেন, অনেকে এখনও ঘুরছেন হাটেই। কোরবানির পশুর কেনাবেচার শেষ দিনে এসে ক্রেতা ও বিক্রেতা দুই পক্ষই অপেক্ষা ছিলেন দাম কমা-বাড়ার সুযোগের।
ক্রেতারা মনে করছেন, সন্ধ্যার পর গরুর যোগান বাড়বে, তখন তুলনামূলক কম দামে গরু কিনতে পারবেন। তবে বিক্রেতাদের দাবি, শেষ পর্যায়ে হাটে গরুর চাহিদার তুলনায় যোগান কম থাকতে পারে। তখন দামবাড়াতে পারে।
এদিকে হাটে মানুষের ভিড়, কাদা পানি, কোরবানির পশু কিনে ফেরা আরেক বিড়াম্বনা। তাই এবার ছাগল বিক্রি করতে পাড়া-মহল্লায় ঘুরেছেন বিক্রেতারা। শহরে দেখা মিলল এমন ছাগলবিক্রেতা জুলফিকার আলীর সঙ্গে।
তিনি বললেন, ব্যস্ততার কারণে অনেকে হাটে যেতে পারেন না। তার ওপর হাট থেকে ছাগল নিয়ে বাসায় ফেরা বিড়াম্বনার বিষয়। তাই আমি ছাগল বিক্রি করতে পাড়া-মহল্লায় ঘুরছি। পাড়া-মহল্লায় ঘুরলে অনেক ক্রেতা পাওয়া যায়। তারা বেশি একটা দামাদামি করেন না।
প্রতিবারই শেষ দিনে এসে পাড়া-মহল্লায় ছাগল বিক্রি করেন জানিয়ে অপর বিক্রেতা এরশাদ আলী বলেন, আমরা প্রকৃত ছাগল ব্যবসায়ী, বিভিন্ন জায়গা থেকে ছাগল কিনে এনে হাটগুলোতে বিক্রি করি কিন্তু শেষ দিনে এসে পাড়া-মহল্লায় বিক্রির ফলে আশানুরূপ লাভ হয়। আর ক্রেতাদেরও এতে সুবিধা হয়।
শহরের দোকানি সাইফুল ইসলাম পাড়া-মহল্লায় ঘোরা এসব বিক্রেতার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকায় একটা ছাগল কিনেছেন। তিনি বলেন, হাটে গিয়ে ছাগল কিনে বাসায় ফেরা খুবই বিড়াম্বনার কাজ। তারপরও সন্ধ্যার দিকে হাটে গিয়ে ছাগল কিনতে চেয়েছিলাম কিন্তু শহরেই ছাগল পেয়ে গেলাম তাই কিনে ফেলেছি। প্রতিবেশীরা বলছেন, এই ছাগল হাটের চেয়ে পাড়ার ওপরে কিনে জিতেছি।
Like this:
Like Loading...