মাগুরানিউজ.কমঃ
কেনাকাটা নিয়ে জীবনযাত্রা এখন ব্যতিব্যস্ত। হাতে সময় আর বেশি নেই। দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। নতুন জামাকাপড় কিংবা গৃহসজ্জার সামগ্রী কেনা প্রায় শেষ। রসনাপ্রিয় বাঙালি মুসলমানের জন্য ঈদের দিন খাদ্যের বিশেষ আয়োজন তো থাকতেই হবে।
অতিথি আপ্যায়ন কিংবা পরিবার-পরিজনদের নিয়ে ঈদের আনন্দে ভূরিভোজ করতে মাংসের বাজারে এখন ক্রেতার ঢল। একই অবস্থা মাংস রান্নায় প্রয়োজনীয় সব মশলার দোকানে। ভিড় চোখে পড়েছে কাঁচাবাজারে।
মাগুরাতে দোকানিরাও ক্রেতার জন্য পশরা সাজিয়ে রেখেছে, যেন চাইলেই সরবরাহ করা যায়। কিন্তু দাম আগের চেয়ে একটু বেশি, মন্তব্য ক্রেতা থেকে বিক্রেতা পর্যন্ত।
কেন দাম বেশি এমন প্রশ্নে বিক্রেতারা তাদের মন্তব্যে জানিয়েছেন, মশলার দোকানে ক্রেতারা সচরাচর আসেন না। বিয়ে কিংবা বড় কোনো উৎসব না হলে মশলার তেমন চাহিদা থাকে না। ফলে দাম খুব বেশি ওঠা-নামা করে না। কিন্তু ঈদের সময় এলাচি, দারুচিনি, জিরা, চিনি, লবঙ্গ, তেল, সেমাই এগুলো কেনাকাটা করবেই। ক্রেতার উপস্থিতি এ সময় বেশি হওয়ায় পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। ফলে দামটাও বাড়ে।
অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, মশলা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মতোই। সারা মাসেই মশলার প্রয়োজন হয়। কিন্তু ঈদের আগে এর বাড়তি চাহিদা থাকায় বিক্রেতারা দাম বাড়ানোর সুযোগ পান। দাম অন্য সময়ের তুলনায় বেশি হলেও কিনতে হবে। এতে বিক্রেতাদের সঙ্গে দর কাষাকষি করে যেটুকু দাম কমানো সম্ভব তাতেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে।


