চলছে ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ বিশ্বকাপ। মাঠের খেলায় না থাকলেও এসময় দেশের বেশিরভাগ মানুষ বুদ হয়ে আছেন বিশ্বকাপ ঘিরে। বেশিরভাগ খেলাপ্রেমী মানুষের চোখ এখন টিভির পর্দায়। আর এরমধ্যে রাজধানীর উল্লেখযোগ্য অংশই এবার নাগরিক টিভির সামনে।
আজ শুক্রবার সন্ধার ফাঁকা শহরে ব্রাজিলের খেলা চলাকালীন মীরপুর এলাকা ঘুরে দেখা যায়, স্থানে স্থানে জটলা করে খেলা দেখছেন এলাকাভিত্তিক দর্শকেরা। চায়ের দোকান থেকে মহল্লার ক্লাব, বাসাবাড়ি থেকে রিক্সার গ্যারেজ সর্বত্রই চোখ টিভির পর্দায়। আর অধিকাংশ স্থানেই দেশীয় বেসরকারি টিভি চ্যানেল ‘নাগরিক’ সম্প্রচারিত খেলা দেখছেন দর্শকরা। বিদেশী চ্যানেল নয়, দেশের টিভি চ্যানেলে খেলা দেখে নাগরিক সন্তুষ্টি সত্যিই বিশ্ময়কর! নাগরিক টিভি এবারই প্রথমবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপ সরাসরি সম্প্রচার করছে।
বিশ্বকাপ কেমন দেখাচ্ছে নাগরিক টিভি? স্বাভাবিক কৌতুহল থেকেই কয়েকজনকে এমন প্রশ্ন করলে-
-কোন চ্যানেল খেয়ালই করিনি, মন্দ না, অসাম, ঠিক আছে, দারুন! হেভি, মোটামুটি, বুঝতেই পারিনি, গুড, নট ব্যাড, সুপার, নাগরিক তো নাগরিকই, মনে হচ্ছে মাঠেই আছি, ফাটাফাটি….. এমনই সব উত্তেজনাকর উত্তর মিলেছে।
মীরপুর -১০ এলাকায় একটি চায়ের দোকানে বছর পঞ্চাশেক বয়সের এক ব্যক্তি নিজেকে একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিচয় দিয়ে জানতে চাইলেন- ভাই আপনি কি নাগরিক টিভির রিপোর্টার? উত্তরে জানালাম ‘না’।
ভদ্রলোক বললেন, ভাই সত্যিই অনেক ভালো মানের সম্প্রচার করছে নাগরিক টিভি। মনে হচ্ছে স্পেশালাইজড চ্যানেল দেখছি। সাবেক মেয়রের কথা উল্লেখ করে আবেগতারিত কন্ঠে বলেন, নাগরিক টিভির দিকে তাকালেই আনিসুল হকের কথা মনে পড়ে যায়। তার স্বপ্নের টিভি চ্যানেল নাগরিক। একে সেরা হতেই হবে।
ধন্যবাদ ‘নাগরিক’কে। কৃতজ্ঞতা আমাদেরকে ঘরে বসেই মাঠের অনুভূতিতে বিশ্বকাপ দেখানোর জন্য।
লেখক- আইনজীবী, সাংবাদিক।


