মাগুরানিউজ.কম:
ঈদ মানে আনন্দ, উত্তেজনা আর আলাদা আমেজ। এই আনন্দ সবচেয়ে বেশি রেখাপাত করে শিশু-কিশোরদের অন্তরে। আর ঈদ আসলেই ঈদী বিষয়টা দোলা দেয় তাদেরকে।
রমজানের প্রথম দিন থেকেই টান টান উত্তেজনার মধ্যে দিয়ে কেটে যায় তাদের পুরো মাস। অপেক্ষা করতে থাকেন কখন আসবে সেই সুবর্ণ সময়। খুশির ঈদ।
একসময় ঈদী ছিল ৫ টাকা ১০ টাকা। সেলামকারীর বয়স অনুযায়ী ৫০ থেকে ১০০ টাকা। সেই সেলামি এখন অনেক বড় হয়েছে। বর্তমানে ১০০ টাকার কমে ঈদী নিতে চায় না কেউ। অনেক ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ৫ শ থেকে ৫ হাজার, এমনকি ১০ হাজার টাকাও হয়ে থাকে।
পরিমাণ যাই-ই হোক সালামির প্রথা ঠিকই আছে আগের মতো। সালামি থাকলেও সালামের প্রথাটা যেন কিছুটা ফিকে হয়ে গেছে। অনেক ছেলেমেয়েই এখন আর আগের মতো বড়দের পা ছুঁয়ে সালাম করে না। কিন্তু সালামির আবদার তাদের ঠিকই আছে। ঈদী দেয়া–নেয়ার নিয়মেও এখন পরিবর্তন এসেছে। আগে হাতে হাতে ঈদী দেয়া হলেও এখন অনেকে ঈদী দিচ্ছেন মোবাইল ব্যাংকিং কিংবা মোবাইল রিচার্জের মাধ্যমে। অনেক ক্ষেত্রে সালামিদাতা এবং সালামিগ্রহীতার সামনাসামনি আসারও প্রয়োজন হয় না।
আমাদের সবকিছুতেই লেগেছে ডিজিটালের ছোঁয়া। আমরা যেন আগের সেই আবেগ ধরে রাখতে পারি সেদিকে নজর দিতে হবে সবাইকে। তবেই ঈদ আগের মতোই খুশির বার্তা নিয়ে হাজির হবে সবার দুয়ারে।


