সদর থানার এসআই রবিউল ইসলাম গণমাধ্যমে বলেন, পারভেজ মোবাইল ফোনে মাগুরা সদর উপজেলার এক গৃহবধূর সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করেন। গত ২৪ মার্চ তাকে মাগুরা থেকে বিয়ের কথা বলে নিয়ে যান।এরপর ওই নারীর সঙ্গে পারভেজ জোর করে শারীরিকভাবে মেলামেশা করেন। আর মাগুরায় ওই নারীর স্বামীর কাছে মুক্তিপণ দাবি করেন। তার স্বামী মাগুরা থানায় জিডি করলে পুলিশ ফাঁদ পাতে।
পুলিশের সহযোগিতায় মাগুরার এক নারী পারভেজের সঙ্গী রাসেদের সঙ্গে মোবাইলে প্রেমের অভিনয় করে তাকে মাগুরায় ডেকে আনে।
গত ২৫ মে রাসেদ মাগুরায় আসেন এই নারীকে টট্টগ্রাম নিয়ে যাওয়ার জন্য। তখন মাগুরা বাসস্ট্যান্ড থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
এসআই রবিউল বলেন, পরে রাসেদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সীতাকুণ্ডে অভিযান চালিয়ে এক বাড়ি থেকে পুলিশ ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে। আর অপহরণকারী চক্রের মূল হোতা পারভেজকে গ্রেফতার করা হয়।
পারভেজ ও রাসেদসহ একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ফোনে মেয়েদের সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করে অপহরণ করে আসছে বলে জানান এসআই রবিউল।
তিনি বলেন, তারা এ ধরনের একাধিক ঘটনার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।