মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরায় জালিয়াতির দায়ে ৭ শিক্ষকের পদাবনতির ঘটনা ঘটেছে। মহম্মদপুর উপজেলার অভিযুক্ত ওই ৭ জন শিক্ষক সাবেক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: আমান উল্লাহ ও সাবেক জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার অধিকারীর স্বাক্ষর জালিয়াতি এবং স্মারক জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন। অভিযুক্ত শিক্ষকগণ শিক্ষা অফিসারদের স্বাক্ষর স্ক্যান করে ও জাল স্মারক নং ব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি গ্রহণ করেন।
অভিযুক্ত শিক্ষকগণ হচ্ছেন যথাক্রমে মৌশা রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহঃ শিক্ষক মোঃ আকবর আলী, লাহুড়িয়া রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহঃ শিক্ষক মোঃ মাহাবুবুর রহমান, কালুকান্দি রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহঃ শিক্ষক মোঃ মফিদুল ইসলাম, পাল্লা চরপাড়া রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহঃ শিক্ষক এস.এম সামাদ ঠাকুর, কালিদপ রায় চৌধুরী রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহঃ শিক্ষক কমনীয় কিংকর তেওয়ারী, পলাশবাড়ীয়া পূর্ব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহঃ শিক্ষক মোঃ আব্দুস সবুর এবং নাগরী পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহঃ শিক্ষক জিল্লুর রহমান।
সূত্র জানায়, মহম্মদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আঃ সালাম জাল স্বাক্ষর এবং স্মারক জালের বিষয়টি ২০১৬ সালে গোপন সূত্রে জানতে পারেন। তৎকালিন এবং পদোন্নতি প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকগণের যাবতীয় কাগজ পত্র যাচাই বাছাই করেন। এ সময় তিনি স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয়টির প্রমাণ পান। অতঃপর স্বাক্ষর এবং স্মারক জালিয়াতির বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিতভাবে অবহিত করেন।
এরপর মাগুরা জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কুমারেশ চন্দ্র গাছি এবং মোঃ রুহুল আমীন বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা প্রমাণ পান এবং তদন্ত রিপোর্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করেন। তার পর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বিষয়টি নিয়ে অধিকতর তদন্ত হয়।
পরিশেষে গত ২ জুলাই ২০১৭ মোঃ কামরুল হাসান, উপ-পরিচালক (খুলনা বিভাগ) অভিযুক্ত ৭ জন শিক্ষকের পদাবনতী এবং প্রধান শিক্ষক হিসাবে অতিরিক্ত গৃহীত অর্থ আদায়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নিদের্শক্রমে অনুরোধ করে অনুলিপি প্রেরন করেন মহা পরিচালক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, সচিব প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রনালয়, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, মাগুরা এবং উপজেলা জেলা শিক্ষা অফিসার, মহম্মদপুর।


