মাগুরানিউজ.কমঃ
বিশেষ প্রতিবেদকঃ
ভাবির পরকীয়ার বলি হতে হলো দেবরকে, এমনটাই ধারনার কথা জানিয়েছে পুলিশ ও এলাকাবাসী।
মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার হরিনাডাঙ্গা গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ইন্দারা থেকে আব্বাস (২২) নামের এক যুবকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার গভীর রাতে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। নিহত আব্বাস ওই গ্রামের মৃত: ওয়াজেদ মিয়ার ছেলে ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, হরিনাডাঙ্গা গ্রামের আব্বাসের বড় ভাবির সাথে প্রতিবেশি এক যুবকের পরকীয়া সম্পর্ক চলে আসছিলো দীর্ঘদিন ধরে। ঘটনাটি একপর্যায়ে জেনে যায় দেবর আব্বাস। এতে বাধা দিলে পরকীয়ায় মক্ত যুবক ও আব্বাসের মধ্যে মনোমালিন্য এবং দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
গত শনিবার সকালে আব্বাসকে বাড়ি থেকে তাকে ডেকে নিয়ে যায় জুয়েল নামের এক প্রতিবেশি যুবক। এরপর থেকে আব্বাস নিখোঁজ থাকে।
রবিবার সকালে আব্বাসের মা সালেহা বেগম মেয়ের গ্রাম থেকে ফেরার সময় নিজ বাড়ি সংলগ্ন মসজিদের পার্শ্বে পরিত্যক্ত একটি কুপ (ইন্দারা) মাটি দিয়ে বন্ধ করতে দেখে তার সন্দেহ হয়। প্রতিবেশি যুবক জুয়েল ও তার বন্ধুদেরকে ইন্দারা মাটি দিয়ে বন্ধ করতে নিষেধ করলে তারা দ্রুত কুপটিতে মাটি ফেলতে থাকে।
বিষয়টি পুলিশকে জানালে পালিয়ে যায় জুয়েল ও তার বন্ধুরা। পরে পুলিশ এসে ওই কূপ থেকে বস্তাবন্দি আব্বাসের লাশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহতের মা সালেহা বেগম বাদি হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক এবং অজ্ঞাত আরো ৭/৮ জনকে আসামী করে মহম্মদপুর থানায় সোমবার দুপুরে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-১৩।
মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: তরীকুল ইসলাম বলেন, পরকীয়ায় প্রতিবন্ধকতা সৃস্টি করায় নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানাগেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
Like this:
Like Loading...