মাগুরানিউজ.কম:
আজ মাগুরার বিশ্বসেরা কাত্যায়নী পূজার পঞ্চমী। মাগুরা নিউজের পক্ষ থেকে সবাইকে উৎসবের শুভেচছা।
মঙ্গলবার ষষ্টী পূজার মধ্যে দিয়ে শুরু হচ্ছে মাগুরার ঐতিহ্যবাহী এই পূজা। ২১ নভেম্বর রাতে প্রতিমা বির্সজনের মধ্যে দিয়ে পূজার সমাপ্তি হবে। পূজা উপলক্ষে মন্ডপগুলোতে স্থাপন করা হয়েছে মনোমুগ্ধকর প্রতিমা। সুদৃশ্য গেট-প্যান্ডেলের পাশাপাশি দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে গোটা মাগুরা শহর। ৫ দিনের এ পুজা ও উৎসব চলাকালীন সময়ে দেশ-বিদেশের লাখো দর্শনার্থীর আগমনের কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
মাগুরাতে এ বছর ৭০ টি মন্ডপে কাত্যায়নী পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা কাত্যায়নী পূজা সমন্ময় কমিটির অহবায়ক পঙ্কজ কুমার কুন্ডু। যার মধ্যে ব্যাপক আয়োজনে মাগুরা শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১২ টি পূজা। মাগুরাকে আলোকিত করতে গোটা শহরকে আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। প্রতিটি পূজা মন্ডপকে ঘিরে নির্মাণ করা হয়েছে সুদৃশ্য গেট-প্যান্ডেল।
‘‘সম্প্রীতির বার্তা দিতেই মাগুরাতে আয়োজিত হয় কাত্যায়নী উৎসব, সব সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনমেলা এই উৎসব। এ পূজাকে ঘিরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে মাগুরাতে। মাগুরাতে এ পুজা সীমানা ছাড়িয়ে আজ বৃহত্তর উৎসবে পরিনত হয়েছে। তাই এটি এখন আর পূজার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং বাঙ্গালীর একটি উৎসব। রীতিমতো সৌহার্দের উৎসব।’’
উল্লেখ্য, ‘মাগুরা নিউজ’ মাগুরায় আয়োজিত কাত্যায়নী পূজার আয়োজনকে ‘বিশ্বসেরা’ বলে স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছে।
পুলিশ সুপার একেএম এহসান উল্লাহ জানিয়েছেন, ঐহিত্যবাহী কাত্যায়নী পূজায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং আয়োজনকে সুনামের সাথে শান্তিপুর্ণভাবে শেষ করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। শহরে ঢোকার প্রতিটি পয়েন্টে পুলিশী তল্লাশীর একাধিক টিম কাজ করছে। প্রতিটি মন্ডপ ও শহরের গুরুত্বপুর্ণ স্থানগুলোতে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। শহরসহ পূজা মন্ডগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ছাড়াও র্যাব ও বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্বরত থাকবেন সাদা পোষাকের বিভিন্ন গোয়েন্দা সদস্যরাও।


