মাগুরানিউজ.কম:
বিশেষ প্রতিবেদক-
‘‘সম্প্রীতির বার্তা দিতেই মাগুরাতে আয়োজিত হয় কাত্যায়নী উৎসব, সব সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনমেলা এই উৎসব। এ পূজাকে ঘিরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে মাগুরাতে। মাগুরাতে এ পুজা সীমানা ছাড়িয়ে আজ বৃহত্তর উৎসবে পরিনত হয়েছে। ’’— মাগুরার সার্বজনীন দূর্গা পূজা আয়োজনের ঐতিহ্যবাহী থানা পাড়ার পূজার সভাপতি এপিপি এ্যাড. রতন কুমার মিত্র কাত্যায়নী পূজা বিষয়ে এভাবেই তার প্রতিক্রিয়া জানান।
প্রতি বছরের মতো এবছরও বিশ্বের সবচেয়ে জাকজমকপূর্ণ ও সর্ববৃহৎ কাত্যায়নী পূজার আয়োজনে ব্যস্ত সময় পার করছে মাগুরা। ১৭ নভেম্বর মঙ্গলবার ষষ্টি পুজার মধ্যদিয়ে মাগুরাতে শুরু হবে এই বিশেষ আয়োজন যা কাত্যায়নী উৎসব নামেও বিশ্বজুড়ে সমান পরিচিত।
এদিকে, সম্প্রতি ‘মাগুরা নিউজ’ মাগুরায় আয়োজিত কাত্যায়নী পূজার আয়োজনকে ‘সারাবিশ্বে সেরা’ বলে দাবি জানিয়েছে। সারাবিশ্বে বিশেষ কিছু এলাকায় এই পূজাটি অনুষ্ঠিত হয় মাগুরা তার মধ্যে অন্যতম শীর্ষে। আর আয়োজনের দিক দিয়ে মাগুরা জাকজমকপূর্ণ ও সর্ববৃহৎ এবং সংখ্যাও বেশি। পাশাপাশি মাগুরার কাত্যায়নী পূজা রীতিমতো সৌহার্দের কাত্যায়নী উৎসবে পরিনত হয়েছে। তাই সারাবিশ্বে কাত্যায়নী পূজার আয়োজনে ‘মাগুরা বিশ্বসেরা’ বলে দাবি জানিয়েছেন মাগুরা নিউজ সম্পাদক রাজীব মিত্র।
উল্লেখ্য-এ বছর জেলায় মোট ৬২টি মণ্ডপে কাত্যায়নী পূজার ঢাক বাজবে। পূজাকে সামনে রেখে সাজ সাজ রব বিরাজ করছে গোটা মাগুরায়। ইতোমধ্যে পূজার প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে। শহরের প্রধান ৭টি মণ্ডপে রাতদিন চলছে সাজসজ্জার কাজ।
মাগুরায় কাত্যায়নী পূজাই হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। দেশের বিভিন্ন জেলা এমনকি পাশ্ববর্তী দেশ ভারত, নেপাল, আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বহু দর্শনার্থী মাগুরাতে আসেন পূজা দেখতে। এ উপলক্ষে শহরের বিভিন্নস্থানে দৃষ্টি নন্দন লাইটিং, তোরণ, গেট, প্যান্ডেল তৈরির কাজ চলছে পুরোদমে। চোখ ধাঁধাঁনো ঝলমলে আলোকসজ্জায় সাজানো হচ্ছে পূজামণ্ডপসহ আশপাশের এলাকা।
পূজায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এ পূজাকে ঘিরে সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয় মাগুরায়।


