মাগুরানিউজ.কম:
মোহিত মাগুরার শ্রোতারা। পশ্চিমবঙ্গের শিল্পী দম্পতি সৌরেন চট্টোপাধ্যায় ও স্বাগতা চট্টোপাধ্যায় একটানা প্রায় দুঘন্টা আবৃত্তি ও শ্রুতি নাটক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে মোহাবিষ্ট করে রাখলেন উপস্হিত দর্শকদের।
গতকাল মাগুরার একমাত্র আবৃত্তি সংগঠন কন্ঠবীথির আয়োজনে স্থানীয় সৈয়দ আতর আলী পাবলিক লাইব্রেরীর মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত হলো বিশেষ আবৃত্তি সন্ধ্যা। সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পযর্ন্ত স্থানীয় সৈয়দ আতর আলী পাবলিক লাইব্রেরী চত্বরের মুক্তমঞ্চে এ আবৃত্তি সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।
সন্ধ্যায় স্থানীয় শিল্পীদের আবৃত্তি পরিবেশনার পর ভারত থেকে আগত শিল্পীদ্বয়কে উত্তরীয় প্রদান ও প্রান্জল অভ্যর্থনায় বরণ করে নেন মাগুরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আজিম আহমেদ, প্রবীন ভাষাসৈনিক ও শিক্ষাবিদ খান জিয়াউল হক এবং জেলা উদীচীর সভাপতি বিকাশ মজুমদার।
এরপর একটানা প্রায় দুঘন্টা আবৃত্তি ও শ্রুতি নাটক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দর্শকদের মোহাবিষ্ট করে রাখেন এই শিল্পী দম্পতি।
আয়োজন সম্পর্কে কন্ঠবীথির সভাপতি খান মাজহারুল হক লিপু বলেন, আমরা আনন্দিত মাগুরাবাসীকে আনন্দ দিতে পেরে। এ ধরণের অনুষ্ঠানে সরকারের সহযোগিতার হাত প্রসারিত করার দাবি জানানোর পাশাপাশি তিনি স্কুল পর্যায়ে আবৃত্তিকে বাধ্যতামূলক করারও দাবী জানান।
বাংলাদেশের দর্শকদের কবিতার প্রতি আগ্রহের ভূয়সি প্রসংসা করে আমন্ত্রিত আবৃত্তি শিল্পী স্বাগতা চট্টোপাধ্যায় বলেন, প্রথমবারের মত বাংলাদেশে আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমি আবারো বাংলাদেশে আসতে চাই।
আবৃত্তি শিল্পী সৌরেন চট্টপাধ্যায় বলেন, আবৃত্তি চর্চায় যে কোন সহযোগিতায় আমরা কন্ঠবীথির পাশে থাকবো, বাংলাদেশের পাশে থাকবো। আজ মাগুরাবাসী আমাদের যে মর্যাদা দিয়েছে তা আজীবন কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরন করবো।
দুই বাংলার সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ফলে উভয়ের সম্পর্ক দৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা খান রকিবুল হক দিপু আয়োজনকে সফল করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, ভবিষ্যতে আবারো মাগুরাতে এরকম অনুষ্ঠান উপহার দিতে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
আয়োজন সম্পর্কে মাগুরা নিউজ সম্পাদক রাজীব মিত্র জয় বলেন, এ ধরনের আয়োজন মাগুরার শিশু-কিশোরের বিপথগামী হওয়া থেকে রক্ষা করে সুনাগরিক হতে সহযোগিতা করবে। সংস্কৃতি চর্চার যে রেওয়াজ মাগুরাতে কন্ঠবীথি চালিয়ে যাচ্ছে সে প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন মাগুরা নিউজ সম্পাদক।


