রোববার সকালের দিকে বৃষ্টির সময় রাঘবদাইড় ও মঘি ইউনিয়নে দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
বজ্রপাতে আহতদের মধ্যে ছয়জনকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে ওই হাসপাতালের চিকিৎসক দেবাশীষ বিশ্বাস জানান।
নিহত কৃষকের নাম বুদ্ধিশ্বর বিশ্বাস (৫০)। তার বাড়ি রাঘবদাইড় ইউনিয়নের পাটকেলবাড়ি গ্রামে।
আহতদের মধ্যে তিনজন হলেন- বুদ্ধিশ্বরের ছেলে হারধন বিশ্বাস (১৬), মঘি ইউনিয়নের কামারপাড়া গ্রামের জামান মিয়ার স্ত্রী ফুলবানু (৪০) ও তাদের মেয়ে জিনিয়া (১৯)।
পাটকেলবাড়ি গ্রামের বাসিন্দারা জানান, সকাল ১০ টার দিকে বৃষ্টির মধ্যেই কৃষক বুদ্ধিশ্বর ও তার ছেলে মাঠে কাজ করছিলেন। এ সময় বজ্রপাতে বৃদ্ধিশ্বর ঘটনাস্থলেই মারা যান।
কামারপাড়া গ্রামে বজ্রপাতে মা-মেয়ে আহত হয়েছে বলে মঘি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ জানান।
স্বজনদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ফুলবানু ও তার মেয়ে জিনিয়া দুজনই নিজেদের বাড়ির উঠানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে আহত হন।
অন্যদিকে প্রায় একই সময় বজ্রপাতে মঘি ইউনিয়নের ভাবনহাটি গ্রামের আরও দুই জন ও মির্জাপুর গ্রামে তিন জন আহত হন বলে চেয়ারম্যান লতিফ জানান।


