মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরা সদরের আঠারখাদা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তাঘাটে লোক চলাচল খুবই কম।সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আঠারখাদা ইউনিয়নের সদ্য সমাপ্ত নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ও হামলা মামলায় গ্রেফতার আতংকে পুরুষশূণ্য ওই এলাকার কয়েকটি গ্রাম। স্কুলগুলিতে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি কিছুটা কমে গেছে। গ্রামগুলিতে এখন বিরাজ করছে উদ্বেগ আর উৎকন্ঠা।
স্থানীয়রা জানান, সংঘাত প্রতিরোধে পুলিশ কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়ায় পরিস্থিতি শান্ত। শান্তি রক্ষার্থে পুলিশ সবসময় টহল দিচ্ছে। এমনিতেই বেশিরভাগ মানুষই আতঙ্কে আছে।
পর্যাপ্ত পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে জানিয়ে মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজমল হুদা জানান, হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় তিনটি পৃথক মামলা হয়েছে। এতে সব মিলিয়ে ৬০ জনকে আসামী করা হয়েছে। তবে কাউকেই হয়রানি করা হয়নি। হবেও না। পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রনে আছে।
গত ৩১ মার্চঅনুষ্ঠিত নির্বাচনে ওই এলাকার চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি সঞ্জিবন বিশ্বাস। নির্বাচনের পর ওই এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অমরেশ বিশ্বাসের সমর্থকদের সাথে সঞ্জিবনের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, মারপিট ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনায় মাগুরা থানায় তিনটি পৃথক মামলা হয়েছে।


