মাগুরানিউজ.কমঃ
রঙিন মাগুরা। আজ ‘হোলি’তে যে ভাবে গোটা মাগুরা রঙের উৎসবে মেতে উঠল তাকে এক কথায় বোধহয় এ ভাবেই বর্ণনা করা যায়। সরকারি ছুটি ঘোষণা কার্যত রঙের পালে হাওয়া জুগিয়েছে। অনেকে আবার ‘ভার্চুয়াল দুনিয়া’তেও রং খেলেছেন। গত দু’দিন ধরে বাঙ্গালীদের কল্যাণে সমস্ত সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট কার্যত দোল-হোলির দখলে।
মাগুরাবাসীকে বসন্ত উৎসবের শুভেচ্ছা জানিয়েছে ‘মাগুরানিউজ’ পরিবার।
‘মাগুরানিউজ’ হোলি স্পেশাল………..
আনন্দের উৎসব
এই দিনের মজাই হলো পরস্পরের সঙ্গে রং ছোঁড়াছুঁড়ি৷ এই উৎসব হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ফিরিয়ে নিয়ে যায় সেই পুরাণে৷ দোল উৎসব উদযাপন করা হয় ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চ মাসের শেষ পূর্ণিমাতে৷ মানুষের আনন্দ করার ধরনই যেন বলে দেয়, শীত বিদায় নিয়েছে আর বসন্তের আগমন ঘটেছে৷
শত বছরের পুরনো ঐতিহ্য
এই উৎসবটির মধ্য দিয়ে ভালো কাজের জয় আর মন্দের ক্ষয়কেও বোঝানো হয়ে থাকে৷ তাই উৎসবের আগের রাতে বিশাল আকারে আগুন জ্বালানো হয়, যাকে শক্তির প্রতীক হিসেবে মনে করা হয় এবং এর মধ্য দিয়ে অমঙ্গল বা কুপ্রভাবকে ধ্বংস করা হয়৷ যদিও পরিবেশ সংরক্ষণকারীরা বহুদিন থেকেই এই প্রথার সমালোচনা করে আসছেন৷
কৃষ্ণের দোল উৎসব
উত্তর ভারতের মথুরা এলাকায় যেখানে কৃষ্ণর জন্ম, সেখানে ১৬ দিন ধরে এই উৎসব চলে৷ কৃষ্ণপূজা দিয়ে শুরু হয়৷ তারপর সবাই মিলে রং ছোঁড়াছুঁড়ি এবং গান গাওয়ার মধ্য দিয়ে সম্মান জানানো হয় কৃষ্ণ এবং তাঁর প্রেমিকা রাধাকে৷
সবাই মেতে ওঠেন রং খেলায়
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ছেলে-বুড়ো, পুরুষ-মহিলা, শিশু, সবাই অংশ নেয় এই উৎসবে৷ বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-অনাত্মীয় সবাই একে অপরকে রং নিদেন পক্ষে আবির মাখিয়ে সং সাজাতেই যেন বেশি আনন্দ৷
রং তৈরির রহস্য
দোল উৎসবের রঙ্গীন পোশাকের মতো পাউডারও রঙ্গীন৷ যে পাউডার আগে লতাপাতা, ফুল বা রান্নার উপকরণ যেমন হলুদ বা জাফরান দিয়ে তৈরি করা হতো৷ অনেক সময় ছোট বেলুনের ভেতর পানি ভরে রং মিশিয়ে বানানো হয় পানিবোমা৷ যা দিয়ে ছোট ছেলে-মেয়েরা খেলতে খুবই ভালোবাসে৷ ইতিমধ্যে রঙ্গীন পাউডারের সাথে রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার শুরু হয়েছে৷ যার ফলে ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দেয় বলে শোনা যায়।


