মাগুরানিউজ.কমঃ
বিশেষ প্রতিবেদক-
কেমন চলছে? প্রশ্ন করতেই ক্লান্ত কন্ঠে এক বয়োবৃদ্ধা জানালেন, পরিবারের অন্যান্য কাজের পাশাপাশি তারা এই কাজ করেন বলে বাড়তি এ আয় দিয়ে সংসারের অনেক খরচ মেটানো যায়। এভাবেই চলছে বহু বছর ধরে।
শহরের মহিলা কলেজের পিছনে নদীর পাশে রাস্তার দুপাশে এদের আবাসস্থল। প্রায় প্রতিঘরেই তৈরি হয় বাঁশ ও বেত নির্মিত বিভিন্ন পণ্য। বাঁশের ঝাকা, ডোল, চালন, কুলা, দোলনা, বুক সেলফ, মোড়া প্রভৃতি তৈরি করে নিজেরাই বিভিন্ন জেলায় হাটে ও মেলায় বিক্রি করে থাকেন।
ঋষি সম্প্রদায়ের লোক বলা হয় এদেরকে।
জানাগেছে আলমখালী, ইছাখাদা, বিনোদপুর, জগদলসহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় দুই শতাধিক ঋষি সম্প্রদায়ের লোক বসবাস করে। এ সব গ্রামের প্রায় প্রতিঘরেই তৈরি হয় বাঁশ ও বেত নির্মিত বিভিন্ন পণ্য। বাঁশের ঝাকা, ডোল, চালন, কুলা, দোলনা, বুক সেলফ, মোড়া প্রভৃতি তৈরি করে নিজেরাই বিভিন্ন জেলায় হাটে ও মেলায় বিক্রি করে থাকেন।
বর্তমানে একটি ঝুড়ি আকার ও মানভেদে ১০০ টাকা, কুলা ৫০ টাকা, ৫০-৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ সব পণ্যের নির্মাতারা জানান, বাঁশের মূল্য বৃদ্ধির কারণে পণ্যের উত্পাদন মূল্য বেড়ে যাচ্ছে। ক্রেতারা আগের মূল্যেই কিনতে চান এ সব পণ্য। ফলে লাভ কম হচ্ছে। তারপরও পৈত্রিক পেশাকে ধরে রেখেছেন তারা।
বেশির ভাগ পরিবারেই অন্যান্য কাজের পাশাপাশি তারা এই কাজ করেন বলে বাড়তি এ আয় দিয়ে সংসারের অনেক খরচ মেটানো যায় বলে জানান তারা।
Like this:
Like Loading...