মাগুরানিউজ.কম:
বিচার ব্যবস্থায় লাগছে ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়া। আর তাই ১৫৬ বছরে প্রাচীন ব্যবস্থা ভেঙে এবার ই-জুডিশিয়ারি ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। এর মাধ্যমে বিচারপ্রার্থীরা ঘরে বসেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার মামলার গতি-প্রকৃতি, রায় জানতে পারবেন। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র বলছে, প্রথম পর্যায়ে দেশের ১০টি জেলাকে পাইলট প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে। এ জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২৭ কোটি ৪৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এ প্রকল্পের সাফল্যের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে দেশের সবগুলো জেলাতেই এ ব্যবস্থা চালু করা হবে। মামলা জট নিরসন ও বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ কমাতে এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুসারে ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ব্রাক্ষণবাড়িয়া, গোপালগঞ্জ, নাটোর,যশোর,মৌলভীবাজার এবং রংপুর এ ১০ জেলায় প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। সুপ্রিমকোর্ট ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের কার্যকাল ধরা হয়েছে ২০১৬ জুলাই থেকে ২০১৯ জুলাই পর্যন্ত।
জানা গেছে, ই-জুডিশিয়ারি কার্যকর হলে বিচারপ্রার্থীরা ঘরে বসেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার মামলার গতি-প্রকৃতি, রায় জানতে পারবেন। অন্যদিকে মামলার তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে অত্যন্ত কম সময়ের মধ্যে উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালতের মধ্যে বিচার সংশ্লিষ্টরা পারস্পারিক কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারবেন। এছাড়াও পুরাতন মামলার রের্কড এবং সংশ্লিষ্ট রায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হবে।
ই- জুডিশিয়ারি শীর্ষক প্রকল্পের কার্যক্রম প্রসঙ্গে প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, প্রকল্পের আওতাভুক্ত ১০টি জেলার ২৬২টি কোর্ট রুমকে ই-কোর্টে হস্তান্তর, বিচারকদের এক হাজার ৬৫০টি ট্যাব/ল্যাপটপ প্রদান, রেকর্ড রুম অটোমেশন এবং পুরাতন রেকর্ড রুম ডিজিটাইজেশন করা, বিচার ব্যবস্থার জন্য এন্টারপ্রাইজ আর্কিটেকচার উন্নয়ন, এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্লানিং (ইআরপি) সফটওয়্যার উন্নয়ন, বায়োমেট্টক অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম চালু, বিচারক ও বিচার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানসহ ১৪টি বিষয়ে কার্যক্রম সম্পাদন করা হবে।


