মাগুরানিউজ.কমঃ
পঞ্চম শ্রেণি থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা (পিইসি) তুলে দেওয়ার প্রস্তাব আগামীকাল সোমবার মন্ত্রিসভায় উঠছে। এতে ২০০৯ সাল থেকে চালু হওয়া এ পরীক্ষা পঞ্চম শ্রেণি থেকে উঠিয়ে অষ্টম শ্রেণি শেষে চালু করার প্রস্তাব করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত ১৮ মে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীতকরণের ঘোষণা দেয়
সরকার। এরপরই এ পরীক্ষা বাতিলের দাবি ওঠে অভিভাবক মহল থেকে। তবে পিইসি বাতিল হলেও পরীক্ষার বোঝা থেকে এখনই মুক্তি পাচ্ছে না পঞ্চম শ্রেণিপড়ূয়া কোমলমতি শিশুরা। তাদের জন্য এবার নতুন করে চালু হচ্ছে ‘উপজেলাভিত্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা’। এ জন্য একই সঙ্গে আরেকটি প্রস্তাব তৈরি করেছে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এটিও আগামীকাল মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের জন্য পেশ করা হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হুমায়ুন খালিদ সংবাদমাধ্যমে বলেন, সমাপনী পরীক্ষা বাতিল করা হলেও সরকার এই শিশুদের জন্য বরাদ্দ থাকা প্রাথমিক বৃত্তির টাকা দিয়ে যেতে চায়। এই বৃত্তি দিতে গেলে একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা দরকার। তাই জাতীয়ভাবে আয়োজিত সমাপনী পরীক্ষা বাতিল করে স্থানীয়ভাবে উপজেলাভিত্তিক একটি মূল্যায়ন পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের বৃত্তি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। শিক্ষানীতিতেই থানা, উপজেলা বা পৌরসভায় অভিন্ন প্রশ্নে একটি মূল্যায়ন পরীক্ষার কথা বলা হয়েছে। সেই পরীক্ষার মাধ্যমেই আমরা বৃত্তি দিতে চাই।’
মো. হুমায়ুন খালিদ আরও বলেন, ‘পঞ্চম শ্রেণি শেষে বাচ্চাদের একটি মূল্যায়ন হওয়া উচিত। প্রতিবছর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় নির্বাচন করতাম পিইসি পরীক্ষার মাধ্যমেই। এখন সেটা উঠে গেলে আমাদের মূল্যায়নের তো একটা ব্যবস্থা রাখতে হবে। সেটাই হবে উপজেলাওয়ারি অভিন্ন প্রশ্নে মূল্যায়ন পরীক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনেই এই পরীক্ষা হবে। তবে এটা কোনোভাবেই পাবলিক পরীক্ষা নয়।’


