মাগুরানিউজ.কমঃ
শুনশান নিরব মহম্মদপুরের পাল্লা গ্রাম। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দু-পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বুধবার রাতে। তারপর থেকেই পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে এই গ্রাম।
সংঘর্ষে মহিলাসহ উভয়পক্ষের কমপক্ষে ২৫ জন আহত ও ৯টি বাড়ি-ঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে সুমন, কামরুল, কুদ্দুস, মাকসুদুজ্জামান,আবির হোসেন, আনোয়ার, মোস্তাফিজ, জাহাঙ্গীর, দেলোয়ার, মিল্টন, মুক্তা, হেনা ও হিরুমিয়া কে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এসময় ৯টি বাড়ি-ঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে উভয়পক্ষের ৫ জনকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলেন হাফিজার, ঝন্টু, জয়দার, ইদ্রিস ও শুকুর মেম্বর।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, পাল্লা গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও দীঘা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিরু মিয়ার সাথে আওয়ামীলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমানের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মনোমালিন্য চলছিল। এঘটনার জের ধরে ঘটনারদিন রাত সাড়ে ৯ টার দিকে পাল্লা বাজারে মোস্তাফিজুর রহমানের সমর্থক রাতুল ও হিরুমিয়ার সমর্থক হিরু মোল্লার সাথে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক কাজী আবু আহসান জানান- আহতদরে মধ্যে গুরুতর মিল্টন, জাহাঙ্গীর ও হিরুকে মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মহম্মদপুর থানার ওসি মো: তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন- এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ৫ জনকে আটক করেছে।


