মাগুরানিউজ.কম: মাগুরার ঐতিহ্যবাহী ‘মাগুরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়’ প্রাঙ্গনে স্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধেক বছরই স্কুলের মাঠ পানির নিচে তলিয়ে থাকে। বাধ্য হয়ে শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের কাদা-পানি ভেঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। আর এভাবেই চলে আসছে বছরের পর বছর। শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অবিভাবকদেরও একটাই জিজ্ঞাসা, এ অবস্থা থেকে মুক্তি মিলবে কবে?
প্রায় চার মাস মাঠ পানির নিচে তলিয়ে গেলেও পৌরসভা বা সংশ্লিষ্ট কোন দপ্তর তা নিস্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। যে কারণে বাধ্য হয়ে শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
মাগুরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবীন্দ্র নাথ বিশ্বাস বলেন, বর্ষা মৌসুমে ৩ থেকে ৪ মাস কাদা-পানির কারণে জেলার প্রধান এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি লেখা পড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। জলাবদ্ধতার কারণে এ্যাসেম্বলি ও খেলাধুলা বন্ধ রয়েছে। বিশেষ করে চারপাশে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারনে বিদ্যালয়ের ভবনসহ অবকাঠামোগুলো ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, ক্লাসের ফাকে তারা স্কুল মাঠে ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা করতো। কিন্তু জলাবদ্ধতার কারণে তা বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে স্কুলে আসলে মনে হয় চার পাশে সমুদ্র সৃিষ্ট হয়েছে। এছাড়া স্কুল মাঠের সামনের অংশের পানি পচে দূর্গন্ধ বের হচ্ছে। ছড়াচ্ছে রোগ জীবানু ।
এ ব্যাপারে পৌর মেয়র ইকবাল আকতার খান কাফুর বলেন, ভায়না এতিমখানা মাদ্রাসার পাশ দিয়ে সরকারী বালক বিদ্যালয় পিছন দিয়ে অচিরেই ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু হবে। এটি নির্মিত হলে বালক বিদ্যালয়সহ আশপাশের এলাকার জলাবদ্ধতা দূর হবে। এখন দেখার বিষয় সেই অচিরেই কবে।

