মাগুরানিউজ.কমঃ

মাগুরা-মহম্মদপুর সড়কের দৈর্ঘ্য ২৬ কিলোমিটার। মহম্মদপুর উপজেলা সদর থেকে মাগুরা সদরে যোগাযোগের এই একমাত্র সড়কটির অধিকাংশ জায়গা খানাখন্দে ভরা। উপজেলার মানুষকে প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের অধিকাংশ জায়গায় পাথর উঠে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। মোটরসাইকেল ও ছোট যানবাহন চলাচল দুরূহ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সড়কের উড়ুরা এলাকায় প্রায় আড়াই কিলোমিটার পথের অবস্থা বেশি খারাপ।
স্থানীয় লোকজন জানান, দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় সড়কটি ব্যবহারের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কিন্তু এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো নজর নেই।
এই সড়কপথে নিয়মিত বাস চালান দবির হোসেন। তিনি বলেন, রাস্তার যা অবস্থা তাতে যেকোনো সময় গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। গর্তের কারণে গাড়ির চাকা বসে যায়। এক ঘণ্টার পথ অতিক্রম করতে লাগছে দুই ঘণ্টা।
অটোরিকশাচালক সাবু মিয়া বলেন, উল্টে যাওয়ার ভয়ে যাত্রীরা খুব সমস্যায় না পড়লে অটোয় চড়তে চান না। অটোরিকশার যাত্রী মুসা বলেন ভাই গাড়িও শেষ আমিও শেষ।
উপজেলা সদরের সুজন বলেন, ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে উৎপাদিত ফসল বিক্রি করার জন্য সদরে নিতে হলে দ্বিগুণ পরিবহন খরচ দিতে হচ্ছে। তার ওপর চাকা বসে যাওয়ার ভয়ে ভ্যানচালকেরা বেশি টাকা দিলেও মালামাল পরিবহন করতে রাজি হন না।
বেথুলিয়া গ্রামের মামুন মোল্লা বলেন, গুরুতর অসুস্থ কোনো রোগীকে সদরে বা অন্য কোথাও নেওয়ার প্রয়োজন হলে দুর্ভোগের অন্ত থাকে না। প্রসূতি কোনো মাকে এই পথে আনা-নেওয়া করা প্রায় অসম্ভব।
একাধিক ব্যক্তির অভিযোগ, নিম্নমানের কাজও সড়কের এই অবস্থার জন্য দায়ী। সড়কটি আগে সংস্কার করা হয়েছিল। কিন্তু ছয় মাস না পেরোতেই নষ্ট হওয়া শুরু হয়।
মাগুরা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত কুমার দত্ত বলেন, সড়কটি দ্রুত সংস্কারের চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে।

