এবার ১ ঘন্টায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম!

মাগুরানিউজ.কমঃ 

7n26my5h-1365657251

দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আধুনিকায়নের মাধ্যমে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে চায় বাংলাদেশ রেলওয়ে। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রেল যোগাযোগ আরো উন্নত করতে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে চালু করতে চায় হাইস্পিড ট্রেন বা দ্রুতগতিসম্পন্ন ট্রেন।

বিশ্বের উন্নত দেশের মতো দেশের দ্বিতীয় রাজধানী বা বাণিজ্যিক রাজধানী বলে খ্যাত অতি গুরুত্বপূর্ণ এ রুটে ট্রেনটি চলবে ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার গতিতে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের মোট ২৩২ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগবে ১ ঘণ্টার চেয়ে কিছু বেশি।

দেশে প্রথমবারের মতো চালু হওয়া এ ট্রেনের রুটটি চালু করতে নির্মাণ করা হবে আলাদা অ্যালিভেটেড (উড়াল) বৈদ্যুতিক রেলপথ। এতে চলাচল করবে হাইস্পিড (দ্রুতগতি) ট্রেন। ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ, দাউদকান্দি, মোহনপুর, ময়নামতি, লাকসাম, ফেনী, চিনকি আস্তানা, সীতাকুণ্ড হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এ রেলপথ নির্মাণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রেলকে আধুনিক, যুগোপযোগী ও উন্নত সেবামূলক বাহনে পরিণত করতে এ বিশেষ উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।

রেল সূত্র জানায়, সাধারণ রেললাইনের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা বিশেষ পদ্ধতির এ রেললাইন তৈরিতে ব্যয় হবে প্রায় ৩৮৭ কোটি ডলার বা ৩১ হাজার কোটি টাকা। নতুন পদ্ধতির এ ট্রেনটি চালু করা গেলে বাংলাদেশের পরিবহন ব্যবস্থায় এক ব্যতিক্রমী উদাহরণ সৃষ্টি করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এটি চালু হলে সময় সাশ্রয় তো হবেই পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রামের দূরত্ব কমবে প্রায় ৮০ কিলোমিটার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্বপ্নের এ প্রকল্প বাস্তবায়নে এরই মধ্যে বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে চায়না রেলওয়ে এরিউয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি (সিআরইইজিসি)। নির্মাণের পর প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব উদ্যোগে ২০ বছর পরিচালনা করবে। এরপর হাইস্পিড এসব ট্রেন বাংলাদেশ রেলওয়ের কাছে হস্তান্তর করতে চায় ওই কোম্পানিটি। বিনিয়োগের অর্থ এই সময়ের মধ্যেই উঠিয়ে নেবে বিনিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ।

রেলসূত্র জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইস্পিড ট্রেন চালু করতে গত আগস্টে সিআরইইজিসির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এর ভিত্তিতে ইতোমধ্যে সিআরইইজিসি প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা যাচাই সম্পন্ন করেছে। সম্প্রতি রেলওয়ের কাছে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাভাবিকের চেয়ে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম হাইস্পীড এসব ট্রেন চালু করতে বিশেষ ধরনের রেলপথ দরকার। এ জন্য বিদ্যমান রুটের পরিবর্তে সরাসরি ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ, দাউদকান্দি, মোহনপুর, ময়নামতি, লাকসাম, ফেনী, চিনকি আস্তানা, সীতাকুণ্ড হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণ করতে হবে। জমি অধিগ্রহণ কমানো ও অধিক গতির জন্য উড়ালপথ নির্মাণ হবে সাশ্রয়ী।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

August ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jul    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

ফেসবুকে আমরা

বিভাগ

দিনপঞ্জিকা

August ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jul    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
%d bloggers like this: