আজ রবিবার, অক্টোবর ৪, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- নদীর বুকেই কেটেছে জীবনের ছয়টি দশক, বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও থামেনি রনজিতের বৈঠা
- শ্রীপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষ্যে র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- মাগুরায় প্রতিবন্ধী ও স্বামীহারা ক্যান্সার আক্রান্ত সাহিদা বেগমের ধুকে ধুকে মৃত্যুর দিন পার
- শ্রীপুর প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে সমাজসেবা কর্মকর্তাদের আকষ্মিক পরিদর্শন
- শ্রীপুরে বিদ্যুৎপৃষ্টে রাজমিস্ত্রীর মৃত্যু
- শ্রীপুরে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন: পুলিশ হেফাজতে স্ত্রী, এলাকায় চাঞ্চল্য
- শ্রীপুরে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার: স্বামী আটক, হত্যার দাবি পরিবারের
- একটি স্বপ্নের অপমৃত্যু: আর ফিরবে না বান্দরবানের পাহাড়ি রাস্তায় হারিয়ে যাওয়া শ্রীপুরের তাজিম
- গড়াই নদীর তীব্র ভাঙন: ফসলি জমি বিলীন, হুমকিতে কোদলা গ্রামের ৫০০ পরিবার
- শ্রীপুরে আমলসার বাজার থেকে ১১ জুয়ারী আটক
মহসিন মোল্যা, বিশেষ প্রতিবেদক-
শ্রীপুরে সামাজিক আধিপত্যের জেরে দু-গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার চন্ডিখালী গ্রামে ইসরাইল মাস্টারের বাড়ির সামনে পাঁকা রাস্তার উপর এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় গ্রুপের ৫ জন আহত হয়। এ সময় উভয় গ্রুপের ১৫ টি বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়৷ ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সামাজিক আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে চন্ডিখালী গ্রামের ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ও একই গ্রামের সাবেক গয়েশপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আসাদ মল্লিকের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জেরে সিরাজুল ইসলামের সমর্থক ইমদাদুল (৪০) ও আকুল (৫০) কে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে লাঙ্গলবাঁধ বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ইসরাইল মাস্টারের বাড়ির সামনে পৌঁছালে আসাদ মল্লিকের সমর্থক হাসিব, জিকু, আসাদুল, রহমতসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মক আহত করে। এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে সিরাজুল ইসলামের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আসাদ গ্রুপের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় আসাদ মল্লিক গ্রুপের সিরাজ (৪০), আলম (৫৫) ও আমিরুল (৫০) মারাত্মক আহত হয়। আহতরা বর্তমানে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় সিরাজুল ইসলাম গ্রুপের মন্টু, রাশেদ, সোহেল, ওয়াসিম, মুক্তার, সবুজ, মিরাজ শেখের দোকান এবং আসাদ মল্লিক গ্রুপের সোহরাব খান, আশরাফ খান, মহিদুল মোল্যা, মীর কাসেম, রফিকুল ইসলাম, মোজাম্মেলসহ উভয় গ্রুপের অন্তত ১৫ টি বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়।
শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ওলি মিয়া জানান, সংবাদ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

