মহসিন মোল্যা, বিশেষ প্রতিবেদক-
আজ মঙ্গলবার, জুলাই ২১, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে আলোচিত শিশু রাজিয়া ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলায় আসামীর মৃত্যুদণ্ড
- শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হত্যাকাণ্ডে জড়িত না এমন ব্যক্তিদের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ
- শ্রীপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ
- শ্রীপুরে পিতা ও পুত্রকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম, দোকানঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট
- টিসিবিতে নিম্মমানের পণ্য, প্যাকেজের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় ক্রেতাদের অসন্তোষ
- শ্রীপুরে দারিয়াপুর ডিগ্রি কলেজের এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় ২০ টি বাড়িঘর ব্যাপক ভাঙচুর লুটপাট
- শ্রীপুরে প্রতিবন্ধী কল্যাণ সংস্থা উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালিত
- শ্রীপুরে ব্রাজিল সমর্থকদের উদ্যোগে আনন্দ মিছিল ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুর ওয়ালটন প্লাজার উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
মহম্মদপুর উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের বড়রিয়ায় শুরু হয়েছে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় ও গ্রামীণ মেলা। ১২ই জানুয়ারি সোমবার দুপুর থেকেই সাজ-সাজ রব। রাস্তার দুই পাশে হাজার হাজার দর্শনার্থীর ঢল। সোমবার দুপুর থেকে উৎসবমুখরতার ঘোড়দৌড় শুরু হয়। মেলা উপলক্ষে রাস্তার দুই পাশে ও মেলা স্থলে দোকান-পাট ও বাহারি পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছে দোকানিরা। পথে পথে শোভা পেয়েছে বাহারি তোরণ।
প্রতি বছর ২৮শে পৌষ বড়ড়িয়া গ্রামে আয়োজন করা হয় আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতা ও গ্রামীণ মেলা, যা আনুষ্ঠানিকভাবে তিন দিনের আয়োজন হলেও মেলা থাকে প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন। এদিন দুপুরের পর থেকেই পার্শ্ববর্তী ফরিদপুর, নড়াইল, রাজবাড়ি, গোপালগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে দর্শনার্থী আসতে থাকেন মেলায়। বড়রিয়া বালিদিয়া ধোঁয়াইল, মহম্মদপুর, ঝামা, চরঝামা, দেউলি, দিগমাঝি, আড়মাঝি এবং হরেকৃষ্ণপুর সহ বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার দর্শক দু’চোখ ভরে ঘোড় দৌড় ও মেলা উপভোগ করতে জড়ো হয় বড়রিয়ায়। বৃদ্ধ থেকে শুরু করে, শিশু-কিশোর, নারী-পুরুষসহ সব শ্রেণীপেশার মানুষের সরব উপস্থিতিতে মেলাস্থল হয়ে ওঠে উৎসব মুখর। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে এবছর জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ২৭ টি দাবরের ঘোড়া অংশ নিয়েছে। ঘোড়া মেলা উপলক্ষে এলাকার নতুন জামাইয়েরা বড় বড় মাছ মিষ্টি কিনে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসে। তাই এ মেলাকে স্থানীয়রা জামাই মেলা বলে থাকে। এছাড়াও শিশুদের বিনোদনের জন্য নাগরদোলা নৌকা দোলা সহ বিভিন্ন আয়োজন থাকে এ মেলায়।
ঘোড়দৌড় উপলক্ষে এ মেলায় বিভিন্ন ধরনের খেলনা, প্রসাধনী, মাছ মাংস, মিষ্টি, জিলাপী, রসগোল্লাসহ শিশুদের বিনোদনের জন্য নৌকা,নাগোরদোলা, সহ বিভিন্ন ধরনের স্টল ছিল মেলার বিশেষ আকর্ষণ।
মেলার প্রথম দিন ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতা শেষে প্রতিযোগিতায় প্রথম দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করি দেরকে পুরস্কৃত করা হয়।
শত বর্ষের ঐতিহ্যবাহী এমন মেলা গ্রাম বাংলার একঘেয়ে জীবনকে করে তুলবে আনন্দময়, পাশাপাশি এ মেলা আরো বহু বছর মানুষের মাঝে আনন্দ ছড়াবে এমনই আশা মেলার দর্শনার্থী, আয়োজক সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের।

