অর্থনীতি অর্থনীতিবিদদের নতুন সংগঠন বিইএফের আত্মপ্রকাশ

অর্থনীতিবিদদের নতুন সংগঠন বিইএফের আত্মপ্রকাশ

12_Bangladesh+Bank_Press+Confarence_190614_0008বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির প্রথম সভাপতি মহিউদ্দিন আলমগীরের নেতৃত্বে দেশের ১৮ জন অর্থনীতিবিদ মিলে নতুন এই সংগঠন গড়ে তুলেছেন, যার নাম বাংলাদেশ ইকোনোমিস্ট ফোরাম (বিইএফ)।

নতুন এই সংগঠনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম, হোসেন জিল্লুর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান, সাবেক দুই গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন, সালেহ উদ্দিন আহমেদ, অর্থনীতিবিদ ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, বিআইডিএসের মহাপরিচালক মুস্তফা কে মুজেরী, পিআরআইর সাদিক আহমেদ, আহসান এইচ মনসুর, জাইদী সাত্তার, সুলতান হাফিজ রহমান, এস আর ওসমানি, রিজওয়ানুল ইসলাম, কাজী খলীকুজ্জমান, খালিদ শামস, মাহবুব হোসেন ও সেলিম রশীদ রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ফোরামের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য তুলে ধরেন এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) পরামর্শক মহিউদ্দিন আলমগীর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর আতিউর রহমান, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের(পিআরআই) সহ-সভাপতি সাদিক আহমেদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিইএফের উদ্যোগে আগামী শনি ও রোববার ঢাকার র‌্যাডিসন হোটেলে প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ওই সম্মেলনে দেশ-বিদেশের প্রায় ৩০০ অর্থনীতিবিদ ও গবেষক অংশ নেবেন।

প্রথম সম্মেলন আয়োজনে সহযোগিতা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক, বিআইডিএস ও পিআরআই। আর্থিক সহযোগিতা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি, স্টান্ডার্ড চার্টার্ড ও এইচএসবিসি ব্যাংক। সম্মেলন আয়োজনে মোট ৬৭ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।

মহিউদ্দিন আলমগীর জানান, বিইএফ সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক পেশাদার অর্থনীতিবিদদের একটি সংগঠন। যে সরকারই যখন ক্ষমতায় আসবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হবে।

“আমরা মনে করি বাংলাদেশের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে, ৭ থেকে ৮ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশে সম্ভব। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে পারবে। কিন্তু সেজন্য একটি পরিকল্পনা ধরে এগোতে হবে। আমরা সেই উন্নয়নের রূপকল্পটি তৈরি করতে চাই।”

গভর্নর আতিউর রহমান বলেন, “ভালো প্রবৃদ্ধির জন্য কী প্রয়োজন সে বিষয়ে এই ফোরাম কাজ করবে। বর্তমানে দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে ২০৩০ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের এবং ২০৫০ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়া সম্ভব হবে।

“দেশের অনেক সফলতা আছে, দুর্বলতাও আছে। এই ফোরাম সফলতাকে ধরে রাখতে যে সরকারই যখন ক্ষমতায় থাকুক তাদের নানা পরামর্শ দেবে।”

সাদিক আহমেদ বলেন, “সব দিক দিয়েই বাংলাদেশের উন্নতি হচ্ছে। এটি আরও ত্বরান্বিত করতে নতুন এই ফোরাম গবেষণামুলক বিভিন্ন জার্নাল প্রকাশ করবে।

“বিশেষ করে বিশ্বের অন্যান্য দেশ কিভাবে উন্নয়ন করেছে তা বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে করা উচিত তা বলা হবে। তবে সব পরামর্শ সরকার নেবে তেমনটি ভাবা ঠিক না।”

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “উদ্যোগটি ভালো। এই সম্মেলনে দেশী-বিদেশী প্রেক্ষাপটে উন্নয়ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হবে। সরকারের নীতি-নির্ধারকরা থাকবেন। তরুণ অর্থনীতিবিদরা থাকবেন। ফলে বিষয়টি দেশের জন্য উপকারী হবে।”

যে ১৮ জন শুরু থেকে এই ফোরামের সঙ্গে কাজ করছেন তারা হবেন এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। তবে যখন যাকে ডাকা হবে তারা এর সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নভেম্বর ২০১৭
সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি রবি
« অক্টো    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

মাগুড়া সদর

ফেসবুকে আমরা