এব্যাপারে সেনা সদস্যের স্ত্রী মোছাঃ শারমিন সুলতানা সাংবাদিকদের জানান, রাত আনুমানিক ১টার দিকে একই এলাকার মৃত আনসার বিশ্বাসের ছেলে মোঃ মোজাম্মেল বিশ্বাস ও মোঃ মোফাজ্জেল বিশ্বাস সহ ৫/৬ জন দূর্বৃত্ত কৌশলে আমাদের বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ করে। এরপর তারা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমাকে আদালতে চলা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে৷ মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ায় তারা আমাকে এবং আমার শাশুড়ী মনোয়ারা বেগমকে চোখমুখ ওড়না দিয়ে বেঁধে রেখে ঘরের মধ্য থাকা সোকেচ ভাংচুর করে সোকেচের মধ্য থাকা নগদ ১৭ হাজার টাকা, এক জোড়া স্বর্ণের রুলি,একটি স্বর্ণের চেইন ও দেয়ানী মামলার কাগজ পত্র এবং জমির দলিল পর্চাসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় খুন জখমের ভয়ভীতি দিয়েছে৷ ওই সময় আমাদের ডাক চিৎকারে প্রতিবেশি মোছাঃ রাহেলা বেগম,মোঃ রবিউল ইসলাম,শিলা খাতুনসহ আরো অনেকে আসিয়া আমাদের চোখ মুখের বাধন খোলে এবং ঘটনা দেখে৷ এব্যাপারে ওই সেনা সদস্যের স্ত্রী মোছাঃ শারমিন সুলতানা বাদী হয়ে শালিখা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন৷
এব্যাপারে শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিশারুল ইসলাম ক্যামেরার সামনে কথা বলতে না চাইলেও তিনি অডিও বক্তব্যে বলেন, উনাদের ঘটনা হল উনারা আপন চাচাতো ভাই, বোন৷ এদের জমি জায়গা নিয়ে বিরোধ আছে৷ বিষয়টি নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি৷ তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে৷