শতখালি গ্রামের বাছেদ জানান, রাত জেগে গরু পাহারা দেই। দু-চোখে ঘুম আসে না। গরুর খাবার যোগাতে পারছি না। সম্বল হলো দুটি গরু, যেগুলো চুরি হলে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না, বলেন তিনি।
বরিশাট গ্রামের বাদশা মিয়া জানান, অতি বৃষ্টিতে মাঠ পানিতে ভরে গেছে। কোথাও ঘাস নেই।গরুর খাবার নিয়ে কষ্টে আছেন।
আগে বাজারে বিদেশি নেপিয়ার ঘাস কিনতে পাওয়া যেত। কিন্তু এখন তাও পাওয়া যাচ্ছে না। ঘাসের পরিবর্তে বাজারে খড় পাওয়া যাচ্ছে। দাম দ্বিগুণ। আগে যে পরিমান খড় ১০০ টাকায় পাওয়া যেত। এখন সেই খরের দাম ২০০ টাকা।