জেএসসিতে মাগুরার এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবাই অংকে ফেল!

মাগুরানিউজ.কম:

বিশেষ প্রতিবেদকঃ 

যশোর মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থী গণিতে ফেল করেছে। ফলে তাদের পাসের হার শুণ্য। অথচ ২০১৬ সালের জেএসসিতে ওই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফলাফল ছিল সন্তোষজনক। শনিবার ফলাফল পর্যালোচনা করে শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র এ তথ্য জানিয়েছেন।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানান, মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলাধীন পোড়াগাছি সপ্তপল্লী নিম্ন. মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে এবার ১৩ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের কেউ পাস করেনি। শিক্ষার্থীরা সবাই অংকে ফেল করেছে। তবে গতবছর ওই প্রতিষ্ঠান থেকে ১৯জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১৬ জন পাস করেছিল।

কুষ্টিয়ার কুমারভোগ রমানাথপুর গার্লস স্কুল এবার ৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অংকে ফেল করেছে। ওই স্কুল থেকে ২০১৬ সালে ৮জন পরীক্ষা দিয়ে ৫জন পাস করেছিল।

বাগেরহাটের কোদালিয়া এমএইচবি গার্লস স্কুল থেকে এ বছর ৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অংকে ফেল করেছে। তবে গতবার ২ জন পরীক্ষা দিয়ে একজন উত্তীর্ণ হয়েছিল।

নড়াইলের বালিয়াডাঙ্গা জুনিয়র গার্লস স্কুল থেকে এবার ১৮ জন পরীক্ষায় অংশ নিলে কেউ পাস করতে পারেনি। তারা সবাই অংকে ফেল করেছে। তবে ২০১৬ সালে ওই স্কুল থেকে ২২ জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই পাস করেছিল।

সাতক্ষীরা নাকনা জুনিয়র বিদ্যা নিকেতন থেকে ১০জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই অংকে ফেল করেছে। গতবার ওই বিদ্যালয়ের পাসের হার ছিল শতভাগ।

সাতক্ষীরার শহীদ জিয়া মেমোরিয়াল জুনিয়র স্কুল থেকে ৬ জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই অংকে ফেল করেছে। গতবার ওই বিদ্যালয় থেকে ৫জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই পাস করেছিল।

খুলনার সোনারতরী জুনিয়র সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল থেকে এবার ৫ জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই অংকে ফেল করেছে। গতবার ওই স্কুল থেকে ১০ জনের ৯জন পাস করেছিল।

যশোরের খরিঞ্চা জুনিয়র গার্লস স্কুল খেকে ৫ জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই ফেল করেছে। তারা অংকে ফেল করেছে। অথচ গতবার তাদের পাসের হার ছিল শতভাগ।

কুষ্টিয়ার পাসফেক্ট ইংলিশ ভার্সন সেকেন্ডারি স্কুল থেকে ৩ জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই অংকে ফেল করেছে। গতবার এ স্কুল থেকে ৭জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই পাস করেছিল।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র জানান, এই ৯টি স্কুল থেকে গণিতে কেউ পাস করেনি। শুরু তাই নয়, বোর্ডে এবার গণিতে সবচেয়ে রেজাল্ট খারাপ হয়েছে। রেজাল্ট খারাপ বিষয়ে শিক্ষকরা বলছে প্রশ্ন কঠিন হয়েছিল।

তবে এবার বই থেকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। কিন্তু টিউটর ও কোচিংয়ে গাইড থেকে পড়ানো হয়। একারণে শিক্ষার্থীরা গণিতে ভাল করতে পারেনি। মূল বইয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রতি তিনি অভিভাবক ও  শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  

ফেসবুকে আমরা

বিভাগ

দিনপঞ্জিকা

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
%d bloggers like this: