মাগুরানিউজ.কম:
চাল এবং গম ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নেওয়ার সরকারি আহ্বানে সাড়া নেই মাগুরার ব্যবসায়ীদের। এসেন্সিয়াল কমোডিটি কন্ট্রোল অ্যাক্ট ১৯৫৬ অনুযায়ী গত অক্টোবর মাসে দেশের সব চাল ও গম ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু অধিকাংশ চাল গম ব্যবসায়ীরাই আহ্বানে সাড়া দেননি।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য এক হাজার, পাইকারি ব্যসায়ীদের জন্য পাঁচ হাজার এবং আমদানিকারকদের জন্য ১০ হাজার টাকা হারে ফি ঘোষণা করে গত ৩১ অক্টোবরের মধ্যে লাইসেন্স গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু এ পর্যন্ত মাত্র ৩৫ জন ব্যবসায়ী লাইসেন্স নিয়েছেন।
মাগুরা পুরাতন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় অর্ধশতাধিক খুচরা চাল ব্যবসায়ীদের মধ্যে কয়েকজন ছাড়া কেউই লাইসেন্স নেননি। এ বাজারের চাল বিক্রেতা আলী বলেন, আমি শুনেছি লাইসেন্স করতে বলা হয়েছে। লাইসেন্স করতে নাকি এক হাজার টাকা লাগবে। আমার মতো দরিদ্র ব্যবসায়ীর পক্ষে এত টাকা দিয়ে লাইসেন্স নেওয়া খুব কঠিন। সরকারের উচিৎ আমাদের মত মানুষদের জন্য ব্যপারটা আলাদা করে ভাবা।
পাইকারি ব্যবসায়ী তৈয়ব বলেন, লাইসেন্সের ব্যাপারটা শুনেছি। তবে এ রকম কোনও নোটিশ পাইনি কিংবা কোনও মাইকিং হয়েছে কিনা তা-ও জানিনা। ভালো করে কিছু জানিই না লাইসেন্স করবো কিভাবে!
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রেজাউল ইসলাম বলেন, আমরা ফি নির্ধারণ করি না। এটা উচ্চ পর্যায়ের ব্যাপার। প্রচারণার স্বল্পতা নিয়ে তিনি বলেন, ১৯৫৬ সালের আইন অনুয়াযী লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। এটা প্রচারের কিছু নেই। খুব শিগগিরই আমরা কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।


