মাগুরানিউজ.কমঃ
শুক্রবার বিকাল ৪টা, মাগুরা শহরের পোষ্টঅফিস সংলগ্ন মিরাজ গার্মেন্টস তখনও বউনি করতে পারেনি। অথচ সকাল দশটা থেকে খুলে বসে আছে। এ অবস্থা শুধু একটি দোকানে নয়। শহরের বেশিরভাগ দোকানেরই একই অবস্থা। আর মাত্র ক’দিন পর পবিত্র ঈদুল আজহা। তবে এবার বিপণি বিতানগুলোর চিত্র একেবারেই ভিন্ন। নেই কোনো ভিড়-ভাট্টা। নেই বেচা কেনার হাঁকডাক। দফায় দফায় বন্যা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে ঈদের বাজারে নেই আনন্দের হাওয়া। স্বাভাবিক অবস্থার চেয়েও এবারের ঈদে বিক্রি-বাট্টা খারাপ বলে জানান দোকানীরা।
দোকানীরা বলছেন, ঈদ উপলক্ষে এর আগে কখনও এমন দেখিনি। দুই ঈদকে কেন্দ্র করেই আগে আমরা লাভ করতাম। রোজার ঈদ আর কোরবানি ঈদে। এবার দেখছি উল্টো চিত্র, লাভ করবো কি বিক্রিই তো হয় না। এখন ঈদের সময় অথচ স্বাভাবিক সময়ের চেয়েও বেচা কেনা খারাপ। দেশে বন্যা। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের যেভাবে দাম বাড়ছে মানুষ খাবে নাকি পোশাক কিনবে। কিন্তু আমাদের তো বাঁচতে হবে। গত এক বছর ধরেই আমাদের ব্যবসা খারাপ যাচ্ছে। প্রতি মাসেই লস গুনতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে তো দোকান বন্ধ করে চলে যেতে হবে।
মহম্মদপুর থেকে দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে শহরে এসেছিলেন জিয়াউর রহমান। ঈদের জন্য কি কেনাকাটা করলেন জানতে চাইলে জিয়াউর বলেন, বাচ্চাদের নিয়ে আসলাম ঘুরতে। যদি কিছু পছন্দ হয় তাহলে কিনবো। কোরবানি ঈদে তো গরু কেনাই আসল। তাই তেমন কেনা কাটার ইচ্ছে নেই। আর এবার গরুর দাম কেমন হবে সেটা তো বলা যাচ্ছে না।


