মাগুরানিউজ.কমঃ
ঈদের আরো দুই সপ্তাহের বেশি সময় বাকি থাকলেও এখনই কেনাকাটায় ব্যস্ত শহরবাসী। ফলে একদিকে যেমন শপিংমলে উচ্চ ও মধ্যবিত্তদের ভিড়, তেমনি ফুটপাতের দোকানগুলোও জমজমাট হয়ে উঠছে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্তদের পদচারণায়।
নামিদামি শপিংমলে কেনাকাটার ইচ্ছা থাকলেও সামর্থ্য না থাকায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ফুটপাতে দোকানে সাধ্যের মধ্যেই ঈদের কেনাকাটা সারছেন স্বল্প আয়ের মানুষজন।
বৃহস্পতিবার মাগুরার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সব বয়সি নারী-পুরুষের জন্য রং-বেরংয়ের বিভিন্ন ডিজাইনের জামা-কাপড় পাওয়া যাচ্ছে ফুটপাতে। আর দামও হাতের নাগালে থাকায় ক্রেতারা ছুটছেন এসব স্থানে। বিক্রেতারা বলছেন, ‘সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে কেনাকাটা। বিশ্রামের সময় নেই তাদের। সারাক্ষণই ভিড়।
মেয়েদের থ্রি-পিস পাওয়া যায় ২৫০ টাকা থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে। এ ছাড়া ১৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায় বাচ্চাদের বিভিন্ন ডিজাইনের জামা।
অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, নামিদামি মার্কেটগুলোতে সবসময়ই ধনীদের ভিড় থাকে। বিক্রেতারাও ইচ্ছামতো দাম নিতে পারেন ক্রেতাদের কাছ থেকে। এসব মার্কেটের পণ্য নিম্ন আয়ের মানুষদের নাগালের বাইরে।
পোষ্টঅফিস এলাকার বিক্রেতারা জানান, বাণিজ্যিক এলাকা হওয়ায় এখানে সারাক্ষণই ভিড় লেগে থাকে। বিক্রিও ভালো। এখানে একদামে শার্ট বিক্রি হয়। বিভিন্ন অফিসের বড় বড় কর্মকর্তারা এখান থেকে কেনেন।
শার্ট কিনতে আসা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা কায়েস বলেন, ‘এখানে তুলনামূলক কম দামে ভালো কাপড় পাওয়া যায়। তাই বেশির ভাগ সময় এখান থেকে শার্ট কিনে থাকি।’
মার্কেটের বিক্রেতা জুয়েল জানান, দাম কম হওয়ায় ফুটপাতে অনেক নারী জামা কিনতে আসেন। বড় মার্কেটের মতোই এখানে ভালো মানের জামা কম দামে পাওয়া যায়। প্রতিদিনই বিক্রি বাড়ছে। আগামী সপ্তাহে আরো বাড়বে।
বাচ্চার জন্য জামা কিনতে এসেছেন কানিজ ফাতেমা। তিনি বলেন, ‘ফুটপাতের বাজার বলে ছোট করে দেখার কিছুই নাই। এখানে কম দামে ভালো জিনিস পাওয়া যায়।’


