মাগুরানিউজ.কমঃ
বিশেষ প্রতিবেদক-
মা সরস্বতী বিদ্যা এবং ললিত কলার দেবী। মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী দেবীর পূজা হয়ে থাকে। এ বছর দিনক্ষণ লগ্ন বিবেচনায় তারিখটি পড়েছে ১০ ফেব্রুয়ারী রবিবার।
ঢাকায় বসবাসরত সনাতন ধর্মাবলম্বী মাগুরাবাসির সম্মিলিত প্রয়াস ‘মাগুরা জেলা সনাতন কল্যান সমিতি, ঢাকা’র উদ্যোগে জাঁকালো আয়োজনে সরস্বতী পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এবছর দ্বিতীয়বারের মতো এ পূজার আয়োজন। আয়োজনকে ঘিরে সমিতির নেতৃবৃন্দসহ ঢাকাস্থ মাগুরাবাসির মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ করা যাচ্ছে।
আয়োজক সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সাধারন সম্পাদক ডাঃ রাহুল মিত্র জানান, দ্বিতীয়বারের মতো ‘মাগুরা জেলা সনাতন কল্যান সমিতি, ঢাকা’র উদ্যোগে বর্ণীল আয়োজনে সরস্বতী পূজার আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজনের জন্য স্থান নির্বাচন করা হয়েছে মিরপুর-২ এ অবস্থিত ন্যাশনাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গন।
ডাঃ রাহুল মিত্র জানান, সুষ্ঠুভাবে পূজা উদযাপনে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহবায়কের দায়িত্ব রয়েছেন বিজন সাহা। যুগ্ম-আহবায়ক সনৎ কুমার সেন ও সদস্য সচিব লাবনী বিশ্বাসের প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে পূজার আনুষ্ঠানিক জোগাড় ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার কাজে অবদান রাখছেন পূজা উদযাপন কমিটির ৬ সদস্য- লিপন ঘোষ, অরুপ বৈদ্য, শ্যামল কুমার বিশ্বাস, অভিজিৎ অধিকারী, হিমাদ্রী শেখর হালদার ও মিঠুন অধিকারী। সার্বিক তত্বাবধানে রয়েছেন ডাঃ বিনয় কুমার দাস ও মনেষ অধিকারী।
উৎসবের সকল আয়োজনে ঢাকায় বসবাসরত মাগুরাবাসীর সবান্ধব অংশগ্রহনের বিনম্র আমন্ত্রন জানিয়েছেন ডাঃ রাহুল মিত্র।
আয়োজক সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি ইঞ্জিঃ তুষার কান্তি বিশ্বাস সবাইকে উৎসবে অংশগ্রহনের আমন্ত্রন জানিয়ে বলেন, সবারই প্রার্থনা শুভময় হয়ে উঠুক চরাচর। আমরাও প্রার্থনা করি, বাণী অর্চনার মধ্য দিয়ে সবার অন্তরের কালিমা দূর হোক, বিবেক জাগ্রত হোক, জ্ঞানের উন্মেষ ঘটুক।
পূজা উদযাপন কমিটির আহবায়ক বিজন সাহা বলেন, বিদ্যাদেবী আসছেন, এ বড় আনন্দের কথা! দ্বিতীয়বারের মতো মাগুরাবাসীর উদ্যোগে ঢাকায় সুবৃহৎ আয়োজনে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রচণ্ড উৎসাহ আন্তরিকতা নিয়ে তারা কাজ করেছেন।
পূজা উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব শ্রাবণী বিশ্বাস লাবনী বলেন, এ এক পুণ্যকর্ম এবং এর পুরোটাই আজকের শিক্ষার্থী সন্তানদের জন্য। নতুন প্রজন্মকে দেশ মাটির টান অনুভব করানোর জন্য চাই নিরলস প্রয়াস। পৌষমেলা, বৈশাখ, একুশের অনুষ্ঠান, বাণী অর্চনার মধ্য দিয়ে সেটা সম্ভব বলে মনে করেন এই তরুণী মা। সন্তানদের সরস্বতী পূজায় সম্পৃক্ত করতে পেরে তিনি তাঁর তৃপ্তি প্রকাশ করেন।

