মাগুরানিউজ.কমঃ
বাংলাদেশের স্বনামধন্য কণ্ঠশিল্পী ফরিদা পারভীন। লালন ফকিরের গানকে তিনি শুধু তুমুল জনপ্রিয়ই করে তোলেন নি, লালনের গানকে দেশের বাইরে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি রেখেছেন অসামান্য ভূমিকা। মাগুরা আদর্শ ডিগ্রী কলেজের ৩৫ বছর পূর্তির আয়োজন সঙ্গীত পরিবেশনে আজ মাগুরাতে ছিলেন স্বনামধন্য এই কণ্ঠশিল্পী।
মাগুরা নিউজের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় মাগুরা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সাবেক এই ছাত্রী জানান- বাবা প্রয়াত দেলোয়ার হোসেন পেশায় সরকারী চিকিৎসক ছিলেন। আর তার নানা স্থানে বদলীর চাকুরীর সুবাদে বিভিন্ন জেলার মানুষের সঙ্গ পেয়েছেন ফরিদা পারভীন।
তিনি বলেন, নিজের জীবনের সবচেয়ে উজ্জ্বল সময় মানে শৈশবকাল তিনি কাটিয়েছেন মাগুরায়। মাগুরা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন তিনি। গানের হাতেখড়িও মাগুরাতে ওস্তাদ অমল চক্রবর্তীর হাতে। দুরন্ত শৈশবের নানা আজো তাকে শৈশবের দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। আর এসবের মধ্যে ঢুকে পড়েন ওস্তাদ অমল চক্রবর্তী। যিনি তাকে কন্যা স্নেহে হারমোনিয়ামের সারগম শিখিয়েছিলেন। জানিয়েছিলেন নানা তাল, লয় সম্পর্কে।
মাগুরা নিউজের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় ফরিদা পারভীন আরো বলেন, নিজের সেই সময়ের শিক্ষকের কথা মনে করে এখনো আপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি আনমনে, পরম ভালোবাসা নিয়ে বলতে থাকেন, “তার মতো গুরু এখন পাওয়া যায় কী-না, আমি জানি না। আমার সেই খুব অল্প বয়সে তিনি আমাকে নিজের হাঁটুর ওপর বসিয়ে চুল বেঁধে দিতেন।” তিনি আরো জানান যে, “আমি হারমোনিয়ামের নাগাল পেতাম না। তার কোলের উপর বসে আমাকে হারমোনিয়াম বাজাতে হতো।”
তিনি মাগুরার সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।


