উৎসবমুখর মাগুরা, আজ কাত্যায়নী পূজার মহা সপ্তমী

মাগুরানিউজ.কম: বিশেষ প্রতিবেদকঃ 

মাগুরায় ব্যাপক আয়োজনের মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী কাত্যায়নী পূজা। পূজার এবছরের আয়োজন একদিন বেশি অর্থাৎ৬ দিনব্যাপী। ষষ্ঠিপূজার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এ পূজা শেষ হবে আগামী রবিবার। অন্যদিকে পূজা উপলক্ষে আয়োজিত মেলা চলবে এক মাস।

মাগুরা শহরে নিজনান্দুয়ালী, ছানার বটতলা, জামরুলতলা, সাতদোহাপাড়া, নতুন বাজার, বাটিকাডাঙ্গা, পারনান্দুয়ালী, তাতিপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত হয়েছে ১৪ টি মন্ডপ। এছাড়া জেলা সদরের বাইরে গ্রাম পর্যায়ে ৬৩ টি মন্দিরে কাত্যায়নী পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শহরের প্রতিটি পূজা মন্ডপকে ঘিরে তৈরি হয়েছে দৃষ্টি নন্দন গেট, প্যান্ডেল, তোরণ। অধুনিক লাইটিংয়ের মধ্যমে সাজানো হয়েছে পূজা মন্ডপগুলো। লাইটিংয়ের মাধ্যমে ব্যবস্থা করা হয়েছে নানা রকম ডিসপ্লের। প্রতিটি মন্দিরেই স্থাপন করা হয়েছে নয়নাভিরাম সব প্রতিমা।

শহরের জামরুলতলা পূজা মন্ডপের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ কুন্ডু জানান- প্রতি বছর কাত্যায়নী পূজা দেখতে সারাদেশের পাশাপাশি নেপাল ও ভারত থেকে লাখ লাখ দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে। এটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা হলেও উৎসবে মিলিত হয় সকল ধর্মের মানুষ। এসব দর্শনার্থীদের কথা মাথায় রেখে এ বছর আমরা আয়োজনের ভিন্নতা রাখা হয়েছে। লাইটিংয়ে পাশাপাশি মন্ডপগুলোতে নির্মিত প্রতিমা ও লাইটের কারুকার্যের মাধ্যমে দেখানো হবে দেব দেবতাদের বিভিন্ন রকম ডিসপ্লে। যা দেখে দর্শনার্থীরা এবার বাড়তি আনন্দ উপভোগ করতে পারবে।

পঙ্কজ কুন্ডু বলেন, ‘ধর্মীয় শাস্ত্র মতে, কাত্যায়ণী হচ্ছে দেবী দুর্গের আরেক নাম। দাপর যুগে যমুনা তীরে দেবী দূর্গার মাধ্যমে কৃষ্ণ আরাধানা করতো যমুনা পাড়ের মানুষ। সেই ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে অনুসরনে কাত্যায়নী দেবীর মূর্তি স্থাপন করে ৬ দিন ধরে হিন্দুধর্মাবলম্বীরা ধর্মীয় ভাব গাম্ভির্যের মধ্য দিয়ে মাগুরার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এ পূজা করে আসছে। এখানে পূজা উপলক্ষে আয়োজিত উৎসবে অংশ নিয়ে থাকে সকল ধর্ম বর্ণের লোকেরা। যে কারণে কাত্যায়নী পূজা মাগুরা জেলার সাম্পদায়িক সম্প্রতির এক অন্যন্য দৃষ্টান্ত’।

এদিকে কাত্যায়নী পূজা উপলক্ষে আয়োজিত মাসব্যাপী মেলায় অংশ নেয়ার জন্য দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসতে শুরু করেছেন দোকানীরা। পূজা চলাকালীন সময় জেলার আইন শৃংঙ্খলা রক্ষার্থে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে বিশেষ সভা করে নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

পুলিশ সুপার খান মুহাম্মদ রেজওয়ান জানান, পূজা মন্ডপগুলোর নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, আনসার ও স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে একাধিক টিম। এছাড়া সাদা পোশাকধারী পুলিশ, র‌্যাবের পাশাপাশি পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে দায়িত্ব পালন করবে একাধিক ভ্রাম্যমাণ টিম।

June ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« May    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  

ফেসবুকে আমরা

বিভাগ

দিনপঞ্জিকা

June ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« May    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
%d bloggers like this: