মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরার শালিখা উপজেলার শতখালি গ্রামের পরিবহন শ্রমিক আলামিন হত্যার ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে রবিবার যশোর কোতোয়ালি পুলিশ মামলাটি রেকর্ড করেছেন। একই সাথে পুলিশ এ মামলায় আলা এবং সোহান নামে দুই আসামিকে শ্যোন এরেস্ট দেখিয়েছে।
নিহত পরিবহন শ্রমিক আলামিন মাগুরার শালিখা উপজেলার শতখালি গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে।
গত ১২ জুন সকাল ৯টার দিকে যশোর উপশহর খাজুরা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় হামলার শিকার হয়ে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ জুন মারা যান। এব্যাপারে নিহতের পিতা নাজিম উদ্দিন বাদী হয়ে গত ১৯ জুন যশোর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ করেন। আদালতের নির্দেশে গতকাল রবিবার নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করে থানা কর্তৃপক্ষ।
নিহতের পিতা মামলায় উল্লেখ করেছেন, তার ছেলে আলামিন (ঢাকা মেট্রো-১১-০২৮২) যশোর-মাগুরা রোডের পরিবহনের হেলপার হিসেবে কাজ করতো। গত ১২ জুন যশোরের খাজুরা বাস স্ট্যান্ডের পাশে জনতা ব্যাংকের সামনে গাড়িটি রেখে ভিতরে পরিস্কার করছিল। এসময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বাঘারপাড়ার পাঠান পাইকপাড়ার জাকির হোসেনের ছেলে আলা, যশোর শহরতলীর বিরামপুর সারথী মিল এলাকার রানার ছেলে সোহান ও কিসমত নওয়াপাড়ার রাব্বিসহ কয়েকজন আলামিনকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এবং অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়া হয়। ১৪ জুন দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পরদিন দুপুর ২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলামিন মারা যায়।
পুলিশ গণমাধ্যমে জানায়, আলামিন হত্যাকান্ডের পরপরই আলা ও সোহানকে নামে দুই যুবককে অন্য একটি মামলায় আটক করে পুলিশ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করে। পরে হত্যা মামলা তদন্ত করার সময় আটক এই দুই জনের জড়িত থাকার বিষয়ে সত্যতা মেলে। ফলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আব্দুর রহিম হাওলাদার কারাগারে থাকা আলা ও সোহানকে শ্যোন এরেস্ট দেখিয়েছেন।


