মাগুরানিউজ.কমঃ
বিশেষ প্রতিবেদক-
সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, বিভিন্ন করপোরেশন ও দপ্তরে সরাসরি নিয়োগে জেলার জনসংখ্যার ভিত্তিতে জেলাওয়ারি পদ বিতরণের হার নতুন করে নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার।
২০১১ সালের আদমশুমারির পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই হার নির্ধারণ করে পরিপত্র জারি করেছে।
জনসংখ্যা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে ঢাকা জেলার জনগণ সর্বোচ্চ ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ এবং বান্দরবান জেলার মানুষ সব থেকে কম শূন্য দশমিক ২৭ শতাংশ কোটা পাবেন। মাগুরা শূন্য দশমিক ৬৪ শতাংশ।
বাংলাদেশে বর্তমানে পাঁচ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য। প্রতিবন্ধী এক শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ এবং নারী ও জেলা কোটা রয়েছে ১০ শতাংশ করে। সব মিলিয়ে কোটার জন্য বরাদ্দ আছে ৫৬ শতাংশ।
২০০১ সালের আদমশুমারির পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে ২০০৯ সালে ২০ ডিসেম্বর জেলাওয়ারি কোটা ঠিক করে দিয়েছিল সরকার।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে আদমশুমারির নতুন রিপোর্ট প্রকাশ হওয়া, বিভিন্ন জেলার জনসংখ্যার হ্রাস-বৃদ্ধি এবং নতুন করে দুটি বিভাগ সৃষ্টি হওয়ায় জেলাওয়ারি পদ বিতরণের শতকরা হার সংশোধন করা হয়েছে।
জেলাওয়ারি পদ বিতরণের শতকরা হার নতুন করে নির্ধারণ করে এ সংক্রান্ত আগের পরিপত্র বাতিল করেছে সরকার।
খুলনা বিভাগের কোন জেলার কত কোটা:
খুলনা ১ দশমিক ৬১ শতাংশ, যশোর ১ দশমিক ৯২ শতাংশ, ঝিনাইদহ ১ দশমিক ২৩ শতাংশ, মাগুরা শূন্য দশমিক ৬৪ শতাংশ, নড়াইল শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ, বাগেরহাট ১ দশমিক ০২ শতাংশ, সাতক্ষীরা ১ দশমিক ৩৮ শতাংশ, চুয়াডাঙ্গা শূন্য দশমিক ৭৮ শতাংশ, কুষ্টিয়া ১ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং মেহেরপুর জেলা শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ কোটা পেয়েছে।
Like this:
Like Loading...