ডালের ঘাটতি মেটাবে ড. সিন্ধা রায়ের উদ্ভাবন

মাগুরানিউজ.কমঃ
বিশেষ প্রতিবেদক-
বাংলাদেশে ডালের বার্ষিক চাহিদা ২৫ লাখ মেট্রিক টন। দেশে উৎপাদন হয় মাত্র ৮ লাখ মেট্রিক টন। বাকি ডাল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল বিনা-৮ ও ৯ জাতের মসুর চাষ কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারলে সহজেই দেশে ডালের  ঘাটতি মেটানো  সম্ভব।

মাগুরা সদর উপজলার মঘি মাঠে সোমবার বিকালে বিনা-৮ ও ৯ মসুর ডালের উপর মাঠ দিবসে এ তথ্য জানান, প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও এ জাতটির প্রধান উদ্ভাবক ড. সিন্ধা রায়। এ সময় সেখানে এক কৃষকের জমিতে চাষকৃত সাধারণ ও বিনা জাতের মসুর জমি থেকে তুলে মাড়াই শেষে ওজন পরিমাপ করা হয়।

যেখানে দেখা যায়, এক বিঘা জমিতে সাধারণ জাতের মসুর ফলেছে আড়াই মণ। সেখানে পাশের ক্ষেতে একই পরিমাণ জমিতে বিনা-৮ ও ৯ ফলেছে সাত মণ।

সিগ্ধা  রায় জানান, স্বল্প জীবনকালীন হওয়ায় বিনা-৪ জাতের মসুর চাষ করে একই জমিতে বাড়তি একটি ফসল চাষ করা সম্ভব। তাছাড়া এক কেজি ধান চাষে যেখানে তিন হাজার লিটার পানি ব্যায় করতে হয়- সেখানে বিনা-৮ ও ৯ মসুর চাষে কোন পানির প্রয়োজন  হয় না। অনেক সময় সাধারণ জাতের মসুরে পোকামাকড়, গোড়াপচাসহ নানা রোগ বালাইয়ে প্রদুভাব দেখা দেয়। কিন্তু বিনা-৮ ও ৯ মসুরে রোগ বালাই কম হওয়ায় উৎপাদন খরচও কম।

সিগ্ধা রায় মনে করেন, ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এ মসুর চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সারাদেশে কৃষকদের মাঝে এ জাতটি ছড়িয়ে দিতে পারলে দেশে যে বিপুল পরিমাণ ডালের ঘাটতি রয়েছে, অল্প সময়ে মধ্যে তা পুরণ করা সম্ভব।

তিনি আরো বলেন, আমরা এক সময় খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কাজ করেছি। সে লক্ষ্য পূরণ হয়েছে। এখন কাজ করছি পুষ্টিনিরাপত্তার জন্য। আর ডাল জাতীয় ফসল আমাদের পুষ্টির প্রধান উপকরণ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

April ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

ফেসবুকে আমরা

বিভাগ

দিনপঞ্জিকা

April ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
%d bloggers like this: